বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
দেশ

কোচিং সাম্রাজ্যের দখল নিয়ে পাটনায় সংঘাত চরম সীমায়

প্রকাশিত: ১৪ জুন, ২০২৬
কোচিং সাম্রাজ্যের দখল নিয়ে পাটনায় সংঘাত চরম সীমায়
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

সংবাদদাতা, পাটনা: বিহারের রাজধানী পাটনা এখন আর শুধু শিক্ষার হাব নয়, বরং দুই হেভিওয়েট শিক্ষক ও ইউটিউবারের ব্যবসায়িক সংঘাতের এক বারুদাগারে পরিণত হয়েছে। গত পাঁচ-ছয় বছর ধরে পাটনার শিক্ষা মহলে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিখ্যাত 'খান স্যার' (Khan Sir) এবং 'রোশন স্যার'-এর (Roshan Sir) কোচিং সেন্টারের মধ্যে তীব্র ও রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলছে। এই ঠান্ডা লড়াই মাঝে মাঝেই চরম আকার ধারণ করছে, যার রেশ ধরে একাধিকবার বোমাবাজি, ভাঙচুর ও রক্তপাতের ঘটনা ঘটেছে বিহারের রাজপথে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দুই শিক্ষকের ছাত্র সংখ্যা লাখ লাখ। কিন্তু ক্ষমতার এই লড়াইয়ে ২০২১ সালে খান স্যারের কোচিং সেন্টারে এক ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সেই সময় রোশন স্যারের অনুগামী হিসেবে পরিচিত প্রিন্স নামের এক যুবকের নেতৃত্বে একদল দুষ্কৃতী খান স্যারের সেন্টারে চড়াও হয়। সেখানে ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি কর্মীদের বেধড়ক মারধর এবং পর পর বেশ কয়েকটি হাতবোমা নিক্ষেপ করা হয়, যা নিয়ে সেই সময় পাটনা পুলিশকে দীর্ঘ তদন্ত করতে হয়েছিল।
খান স্যারের অভিযোগ, রোশন স্যার পেশ পেশীশক্তির জোরে তাঁর ব্যবসা বন্ধ করতে চান এবং তাঁর ছাত্রদের ভয় দেখাতে মাঝেমধ্যেই গুণ্ডাবাহিনী পাঠান। যদিও রোশন স্যারের পাল্টা দাবি খান স্যার নিজেই নিজের সেন্টারে হামলার নাটক সাজিয়ে সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা করেন এবং উলটে তাঁর (রোশন স্যার) সেন্টারে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করেন। 
পাটনার মুসলাহপুর হাট এবং কদমকুয়া এলাকার কোচিং পাড়ায় আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বর্তমানে পুলিশকে বিশেষ টহলদারির ব্যবস্থা করতে হয়েছে।
বিহারের এই দুই তারকা শিক্ষকের ক্ষমতার দাপট এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় কোটি কোটি ফলোয়ার থাকার কারণে প্রশাসনও এই বিষয়ে বেশ সতর্ক পদক্ষেপ ফেলছে। এই সংঘাতের জেরে পাটনার সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে বলে সরব হয়েছেন অভিভাবকেরা। বর্তমানে দুই পক্ষের বিরুদ্ধেই একাধিক এফআইআর (FIR) দায়ের রয়েছে এবং পুলিশি তদন্ত চলছে।