বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
দেশ

এবার আসছে ‘নাগরিকত্ব কার্ড’!

প্রকাশিত: ২ জুলাই, ২০২৬
এবার আসছে ‘নাগরিকত্ব কার্ড’!
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজনৈতিক তরজা থেকে সুপ্রিম কোর্টের এজলাস— নাগরিকত্ব নিয়ে দেশজোড়া টানাপড়েন নতুন নয়। আধার, ভোটার আইডি, প্যান কার্ড কিংবা পাসপোর্ট থাকলেই কি একজন ভারতীয় নাগরিক? এই প্রশ্নে বারবার সরব হয়েছে অবিজেপি রাজনৈতিক দলগুলি। বিরোধীদের লাগাতার তোপ, গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় রয়েছে মোদি সরকার। যদি এই নথিগুলি নাগরিকত্বের অকাট্য প্রমাণ নাই হয়, তবে এতদিনেও কেন একটি নির্দিষ্ট নাগরিকত্ব কার্ড তৈরি করা গেল না? রাজনৈতিক মহলের এই লাগাতার অস্বস্তি কাটানোর লক্ষ্যেই এবার বড়সড় পদক্ষেপ করতে চলেছে কেন্দ্র। 

সাউথ ব্লক সূত্রে খবর, লোকসভা ভোটের আগেই দেশবাসীর হাতে আসতে পারে ‘ন্যাশনাল সিটিজেনশিপ কার্ড’ বা জাতীয় নাগরিকত্ব কার্ড। দীর্ঘদিন ধরেই এই ধরনের কার্ড চালুর জল্পনা থাকলেও, তা বাস্তবায়িত করা সম্ভব হয়নি দেশের প্রকৃত জনসংখ্যার খতিয়ান বা ‘সেন্সাস’ না থাকার কারণে। তবে এবার সেই জট কাটার ইঙ্গিত মিলছে। 

সরকারি সূত্রের খবর, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে দেশজুড়ে শুরু হতে চলেছে বহু প্রতীক্ষিত জনগণনার কাজ। মার্চ মাসের মধ্যেই সেই প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এরপর ২০২৮ সালে প্রকাশ পাবে সেন্সাসের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট। আর সেই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই শুরু হয়ে যাবে জাতীয় নাগরিকত্ব কার্ড তৈরির কাজ। লক্ষ্য, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেই দেশের বৈধ নাগরিকদের হাতে এই পরিচয়পত্র তুলে দেওয়া।

 নাগরিকত্ব নিয়ে বিরোধীদের অস্বস্তি কাটাতে সংসদে আসতে চলেছে নতুন বিল। আগামী বছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে এই ‘ন্যাশনাল সিটিজেনশিপ কার্ড’-এর জন্য বিশেষ আর্থিক বরাদ্দের প্রস্তাবও আনা হয়েছে। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে সম্পন্ন হবে সেন্সাস। ২০২৮ সালে আসবে চূড়ান্ত রিপোর্ট। সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগেই দেশবাসীকে নাগরিকত্ব কার্ড দেওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনা।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপ ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে। একদিকে যেমন অনুপ্রবেশ ও নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আইনি জটিলতার স্থায়ী সমাধান খোঁজার চেষ্টা হবে, ঠিক তেমনই ২০২৯-এর মেগা লড়াইয়ের আগে মোদি সরকারের এটি একটি মাস্টারস্ট্রোক হতে পারে। তবে বিরোধীরা এই নতুন কার্ডের আইনি বৈধতা এবং নজরদারির রাজনীতি নিয়ে কতটা সরব হয়, এখন সেটাই দেখার।

আরও দেশ খবর