বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
জেলা

এক ছাদের তলায় আম থেকে মাখানা, সিল্কের পোশাক! মালদহে পথ চলা শুরু করল ‘আমার মালদহ’ বিপণি

প্রকাশিত: ৮ জুলাই, ২০২৬
এক ছাদের তলায় আম থেকে মাখানা, সিল্কের পোশাক! মালদহে পথ চলা শুরু করল ‘আমার মালদহ’ বিপণি
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: মালদহ জেলার ঐতিহ্যবাহী আম, খাঁটি আমসত্ত্ব থেকে শুরু করে পুষ্টিকর মাখানা, কিংবা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর (SHG) বোনা রেশম বা সিল্কের পোশাক—এবার থেকে জেলার সমস্ত নামী ও রকমারি উৎপাদিত সামগ্রী মিলবে একেবারে এক ছাদের তলায়। মঙ্গলবার মালদহের সমবায়িকা ভবনে পথ চলা শুরু করল বিশেষ কাউন্টার ‘আমার মালদহ’ বিপণি। আনুষ্ঠানিক ফিতে কেটে এই অভিনব বিপণির শুভ উদ্বোধন করলেন রাজ্যের আদিবাসী উন্নয়ন ও সেচ দফতরের প্রতিমন্ত্রী জোয়েল মুর্মু। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বিজেপির ছয় বিধায়ক, সাংসদ খগেন মুর্মু এবং জেলার প্রশাসনিক কর্তারা।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মালদহের কুটির শিল্প এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের তৈরি রকমারি খাদ্যসামগ্রী ও হাতের কাজকে এক বড় বাজার দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এত দিন ধরে জেলার বিভিন্ন প্রান্তের ছোট ছোট উৎপাদকেরা তাঁদের তৈরি জিনিস সঠিক মূল্যে বিক্রির জন্য স্থায়ী জায়গার অভাব বোধ করছিলেন। ‘আমার মালদহ’ বিপণি চালু হওয়ায় সেই সমস্যা অনেকটাই মিটবে। এখানে জেলাবাসী তো বটেই, বাইরে থেকে আসা পর্যটকেরাও এক জায়গাতেই মালদহের সমস্ত নামী জিনিস পেয়ে যাবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে মালদহের জেলাশাসক রাজনবীর সিংহ কপূর একটি বিশেষ ঘোষণা করেন। তিনি জানান, সমবায়িকার এই কাউন্টারটি তো শুধুই শুরু, আগামী দিনে মালদহ জেলার এই নিজস্ব ব্র্যান্ডকে আরও বড় স্তরে নিয়ে যাওয়া হবে। খুব শীঘ্রই কলকাতার মালদহ ভবনেও এই ‘আমার মালদহ’ বিপণির একটি শাখা বা বিশেষ আউটলেট চালু করা হবে। এর ফলে কলকাতার বুকেও মালদহের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর তৈরি সামগ্রী অনায়াসে বিক্রি করা সম্ভব হবে, যা জেলার গ্রামীণ অর্থনীতির ভোল বদলে দিতে পারে।

উদ্বোধনের পর প্রতিমন্ত্রী জোয়েল মুর্মু এবং উপস্থিত বিধায়কেরা বিপণির বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের তৈরি সামগ্রীর গুণগত মানের ভূয়সী প্রশংসাও করেন তাঁরা। প্রশাসনিক এই উদ্যোগকে দলমত নির্বিশেষে সকলেই সাধুবাদ জানিয়েছেন। জেলাবাসীর আশা, এই বিপণির মাধ্যমে জেলার উৎপাদিত বিখ্যাত ফজলিল বা হিমসাগর আম থেকে শুরু করে রেশম শিল্পের বাজার আগামী দিনে দেশ-বিদেশে আরও ছড়িয়ে পড়বে।