বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
জেলা

ভাড়াটিয়া উচ্ছেদ ঘিরে উত্তেজনা, গ্রেপ্তার তৃণমূল কর্মী

প্রকাশিত: ৮ জুলাই, ২০২৬
ভাড়াটিয়া উচ্ছেদ ঘিরে উত্তেজনা, গ্রেপ্তার তৃণমূল কর্মী
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

রিচা দত্ত, মুর্শিদাবাদ: "বহরমপুর শহর শান্তির শহর। দীর্ঘদিন ধরে এখানে দুর্বৃত্তরাজ কায়েম করে রেখেছিল কংগ্রেস এবং পরে তৃণমূল। কিন্তু তারা ভুলে গেছে এখন সরকারে বিজেপি। বহরমপুরে দুর্বৃত্তরাজের দিন শেষ।" বুধবার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মোহন রায়পাড়ায় ঘটনাস্থলে গিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন বহরমপুর বিধানসভার বিধায়ক কাঞ্চন মৈত্র।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মোহন রায়পাড়া এলাকায় এক ভাড়াটিয়া দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর ধরে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে অবৈধ কাজকর্ম চালাচ্ছিলেন। অভিযোগ, কংগ্রেস আমলে শুরু করে পরে তৃণমূলের মদতে মধুচক্র সহ বিভিন্ন অসামাজিক কাজ চলত ওই বাড়িতে। পাড়া-প্রতিবেশীরা কংগ্রেস ও তৃণমূলের "গুন্ডাবাহিনী"র ভয়ে মুখ খুলতে পারেননি।

কিন্তু বিজেপি সরকার আসার পর পাড়ার লোকজন একত্রিত হয়ে গতকাল ওই ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করে বলে অভিযোগ। এর জেরেই মঙ্গলবার গভীর রাতে অশান্তি ছড়ায় এলাকায়। 

অভিযোগ উঠেছে, উচ্ছেদ হওয়া ওই ভাড়াটিয়া এবং অবৈধ কাজে যুক্ত সাতজন তৃণমূল কর্মী, যারা কংগ্রেস আমলেও একই কাজ করত, তারা এলাকার দুই প্রতিবাদী বাসিন্দার বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। একজনের উপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার চেষ্টা হয়। আত্মরক্ষায় ওই ব্যক্তি একতলা ছাদ থেকে লাফ দিয়ে প্রাণে বাঁচেন বলে দাবি স্থানীয়দের।

খবর পেয়ে বুধবার ঘটনাস্থলে যান বিধায়ক কাঞ্চন মৈত্র। তিনি পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে অবিলম্বে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁর হস্তক্ষেপের পরেই সকালের মধ্যে কয়েকজন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিধায়ক কাঞ্চন মৈত্র বলেন, "অনেক দিন ধরে বহরমপুরে দুষ্কৃতীরাজ চলেছে। আর না। প্রশাসনের সহযোগিতায় এভাবেই কংগ্রেস ও তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাজ খতম করতে বদ্ধপরিকর বিজেপি।"

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ গোটা এলাকায় টহলদারি বাড়িয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে ভাঙচুর, হুমকি ও অবৈধ কার্যকলাপের অভিযোগে মামলা রুজু হয়েছে। 

তবে এই অভিযোগের বিষয়ে তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্বের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের দাবি, আইন হাতে তুলে নিলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত চলছে।