বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
জেলা

জলপাইগুড়িতে যানজট মুক্ত করতে তোড়জোড়, শুরু হল রেল উড়ালপুলের সমীক্ষা

প্রকাশিত: ১ জুলাই, ২০২৬
জলপাইগুড়িতে যানজট মুক্ত করতে তোড়জোড়, শুরু হল রেল উড়ালপুলের সমীক্ষা
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: জলপাইগুড়ি শহরকে যানজট মুক্ত করতে অবশেষে শুরু হল বহুল প্রতীক্ষিত ৩ নম্বর গুমটি রেল উড়ালপুলের (ফ্লাইওভার) প্রাথমিক সমীক্ষার কাজ। ৩ নম্বর গুমটি ও তার সংলগ্ন এলাকায় রেলের ইঞ্জিনিয়ার ও আধিকারিকদের উপস্থিতিতে জোরকদমে মাপজোখের কাজ শুরু হয়েছে। রেল সূত্রের খবর, প্রস্তাবিত এই উড়ালপুলটি প্রায় ৬০ থেকে ৯০ ফুট চওড়া হতে চলেছে, যা শহরের একটি বড় অংশ জুড়ে বিস্তৃত থাকবে।

জলপাইগুড়ি শহরের পার্কের মোড় এলাকা থেকে এই সমীক্ষা প্রক্রিয়া শুরু হয়। জানা গিয়েছে, এই মাপজোখের কাজ পার্কের মোড় থেকে শুরু হয়ে বেগুনটারি পেরিয়ে আরও কিছুটা দূর পর্যন্ত চলবে। উড়ালপুল নির্মাণের জন্য এদিন লাইনের ধারের বেশ কিছু দোকান এবং ঘরবাড়িতে লাল ও সাদা রঙের দাগ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে। রেলের আধিকারিকদের ইঙ্গিত, চিহ্নিত এই অংশগুলি উড়ালপুলের কাজের জন্য অধিগ্রহণ করা হতে পারে। এদিকে, জলপাইগুড়ি শহর লাগোয়া মোহিতনগরে ইতিমধ্যেই একটি উড়ালপুল রয়েছে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা মাথায় রেখে এই নতুন উড়ালপুলটির সঙ্গে মোহিতনগরের উড়ালপুলটি জুড়ে দেওয়ার একটি সংস্থান বা নকশা রাখা হতে পারে বলে বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে। এছাড়া ভবিষ্যতে প্রয়োজনে যাতে এই উড়ালপুলের আরও সম্প্রসারণ করা যায়, সেই ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।
রেল কর্তৃপক্ষের দাবি, এই সমীক্ষার কাজ সম্পূর্ণ শেষ হওয়ার পরেই একটি বিস্তারিত রিপোর্ট (DPR) জেলা প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হবে। সেই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই জেলা প্রশাসন জমি অধিগ্রহণের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু করবে। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই এনজেপি লাগোয়া ঠাকুরনগর এলাকায় রেলের উড়ালপুলের সমীক্ষা শেষ করে জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, উচ্চপর্যায় থেকে দ্রুত জমি অধিগ্রহণের নির্দেশ এসেছে এবং সেই মোতাবেক তৎপরতার সঙ্গেই কাজ চালানো হচ্ছে। এই উড়ালপুলটি তৈরি হলে জলপাইগুড়ির দীর্ঘদিনের রেল গেটের জট ও যানজট সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে বলে আশাবাদী শহরবাসী।