মহানন্দা নদী থেকে উদ্ধার যুবকের দেহ, খুনের অভিযোগ পরিবারের
নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নদী থেকে উদ্ধার হলো যুবকের নিথর দেহ। শিলিগুড়ির মহানন্দা নদীতে এক যুবকের মৃতদেহ ভেসে ওঠার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার তীব্র উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। মৃত যুবকের নাম সোনু। তিনি শিলিগুড়ি পুরনিগমের ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের ভূপেন্দ্র নগরের বাসিন্দা ছিলেন। এই ঘটনাকে নিছক দুর্ঘটনা মানতে নারাজ পরিবার। তাঁদের স্পষ্ট অভিযোগ, সোনুকে খুন করা হয়েছে। ঘটনার একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, রবিবার সকালে সোনু একেবারে স্বাভাবিক ও সুস্থ অবস্থায় বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। কিন্তু দিন গড়িয়ে রাত হলেও তিনি আর বাড়ি ফিরে আসেননি। দীর্ঘক্ষণ কেটে যাওয়ার পর উদ্বিগ্ন পরিবার সব সম্ভাব্য জায়গায় খোঁজখুঁজি শুরু করে। কোথাও তাঁর কোনো সন্ধান না মেলায়, শেষমেশ পরিবারের তরফে ভক্তিনগর থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছিল।
নিখোঁজ ডায়েরি করার পর পুলিশ যখন তদন্ত শুরু করে, তখনই খবর আসে মহানন্দা নদী থেকে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারের। পরে সনাক্তকরণে জানা যায় দেহটি সোনুরই। সুস্থ ছেলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে কীভাবে নদীতে চলে গেলেন এবং তাঁর মৃত্যু হলো, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। পরিবারের দাবি, সোনুকে কোনো আক্রোশের জেরে খুন করে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
এই খবর ছড়াতেই ভূপেন্দ্র নগর এলাকায় ক্ষোভ আছড়ে পড়ে। অভিযুক্তদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে শাস্তির দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশ মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে ভক্তিনগর থানার পুলিশ।

