বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

বারুইপুরের পর এবার খোদ কলকাতা! ১১ বছরের নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন

প্রকাশিত: ৮ জুলাই, ২০২৬
বারুইপুরের পর এবার খোদ কলকাতা! ১১ বছরের নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: বারুইপুরে নাবালিকাকে নৃশংসভাবে নির্যাতন ও খুনের ঘটনার ক্ষত এখনও দগদগে। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই এবার খোদ কলকাতার বুকে ঘটে গেল আরও এক শিউরে ওঠার মতো ঘটনা। নেতাজিনগর এলাকায় বছর এগারোর এক নাবালিকাকে ফাঁকা বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন চালানোর গুরুতর অভিযোগ উঠল এক প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি জানাজানি হতেই এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা মাত্রই পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে।  ধৃতের নাম বাবলু বাগ (৫৫)। সে পেশায় একজন রিকশাচালক বলে জানা গেছে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্যাতিতা নাবালিকা এবং অভিযুক্ত বাবলু বাগ একই এলাকার বাসিন্দা। ঘটনার দিন মেয়েটির বাড়িতে কেউ না থাকার সুবাদে ফাঁকা ঘরের সুযোগ নেয় ৫৫ বছরের ওই প্রৌঢ়। মেয়েটিকে ফুসলিয়ে লোভ দেখিয়ে নিজের ফাঁকা বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায় সে। অভিযোগ, সেখানেই নাবালিকার ওপর পাশবিক যৌন নির্যাতন চালানো হয়। 
নির্যাতনের পর আতঙ্কে ও যন্ত্রণায় কাঁপতে কাঁপতে বাড়ি ফেরে ১১ বছরের ওই নাবালিকা। মেয়েটির অস্বাভাবিক আচরণ এবং অনবরত কান্না দেখে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। মা বারবার জিজ্ঞাসা করার পর অবশেষে কান্নায় ভেঙে পড়ে নিজের ওপর হওয়া সেই ভয়ঙ্কর অত্যাচারের কথা জানায় অবুঝ মেয়েটি। 
ঘটনার কথা শুনেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা। বালিকা নিগ্রহের খবর পাড়াময় ছড়াতেই বাবলু বাগের বাড়ির সামনে ভিড় জমান উত্তেজিত বাসিন্দারা। অভিযুক্তকে আটকে রেখে গণপিটুনি দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নেতাজিনগর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। উত্তেজিত জনতার হাত থেকে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেয়। নির্যাতিতার পরিবারের দায়ের করা লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বাবলু বাগকে পকসো (POCSO) আইন এবং যৌন নির্যাতনের নির্দিষ্ট ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 
পুলিশ জানিয়েছে, নাবালিকাটির শারীরিক পরীক্ষা করানো হচ্ছে এবং ধৃতকে আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে।