বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
সর্বশেষ খবর

নেপালকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণার দাবি জোরালো

প্রকাশিত: ৩ আগস্ট, ২০২৬
নেপালকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণার দাবি জোরালো
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক হিংসার আবহে নেপালকে পুনরায় ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ হিসেবে ঘোষণা করার দাবি তীব্র হয়ে উঠেছে। এই আন্দোলন এখন আর কেবল সড়ক বিক্ষোভ বা সাংগঠনিক কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বরং সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে জনপ্রতিনিধিদের ঘেরাও করে সরাসরি জবাবদিহি চাইছে। বিশেষ করে নেপালের সিরাহা জেলায় ন্যাশনাল ইন্ডিপেন্ডেন্ট পার্টির (RSP) সাংসদ বাবলু গুপ্তা বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক ক্ষোভের মুখে পড়েছেন। জায়গায় জায়গায় সাংসদদের ঘেরাও করে পাকিস্তানি ও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের অবিলম্বে দেশছাড়া করার জোরালো দাবি উঠছে। একই সঙ্গে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সংসদ অধিবেশনে দেশকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণার পক্ষে সওয়াল করার জন্য জনপ্রতিনিধিদের ওপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।

বিক্ষোভকারীদের স্পষ্ট বক্তব্য, তাঁরা দেশে পরিবর্তন আনা এবং সনাতন হিন্দু রাষ্ট্রের প্রত্যাবর্তনের আশায় এই জনপ্রতিনিধিদের সমর্থন করেছিলেন। কিন্তু এখন সাধারণ মানুষের সেই আবেগ ও প্রত্যাশাকে ক্রমাগত উপেক্ষা করা হচ্ছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই গণবিক্ষোভের নেপথ্যে রয়েছে নেপালের দক্ষিণাঞ্চলীয় সমতলে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক হিংসা। গত ২৬ জুলাই রাত থেকে নেপালের সুনসারী জেলায় ধর্মীয় উৎসবের প্রস্তুতিকে কেন্দ্র করে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এরপর এই উত্তেজনা সিরাহা, সপ্তরি ও জনকপুরের মতো ভারত-লাগোয়া সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
প্রশাসনের জারি করা কারফিউ ও কড়া নজরদারির জেরে বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও বহু এলাকায় এখনও চাপা উত্তেজনা রয়েছে। এই হিংসাত্মক ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ৩ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে এবং আহত হয়েছেন বহু মানুষ। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই দেশের সামাজিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরাতে নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুংয়ের নেতৃত্বাধীন সরকারি দল বিভিন্ন হিন্দু ধর্মীয় সংগঠনের সঙ্গে একাধিক দফার বৈঠক করেছে। দীর্ঘ আলোচনার পর আন্দোলন প্রত্যাহার এবং নেপালকে পুনরায় হিন্দু রাষ্ট্র করার বিষয়টি নিয়ে সর্বদলীয় আলোচনার আশ্বাস দিয়ে একটি চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে। তবে অনুপ্রবেশকারী সমস্যা ও হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ নেপালের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে।

আরও খবর