বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
সর্বশেষ খবর

নেপালে অলৌকিক: ৩৭ দিন পর জীবিত ফিরলেন মালয়েশিয়ার নিখোঁজ পর্যটক

প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর, ২০২৬
নেপালে অলৌকিক: ৩৭ দিন পর জীবিত ফিরলেন মালয়েশিয়ার নিখোঁজ পর্যটক
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব সংবাদদাতা: মিরাকেল বা অলৌকিক ঘটনা বোধহয় একেই বলে! নেপালের সাম্প্রতিক ভয়ংকর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর যাঁর কোনও খোঁজ ছিল না, পরিবার তো বটেই, উদ্ধারকারীরাও যাঁর আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন, তিনি ফিরলেন সুস্থ শরীরে। নেপালের হড়পা বান এবং ভয়াবহ ভূমিধসের গ্রাস থেকে বেঁচে, দীর্ঘ ৩৭ দিন পর সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হলেন মালয়েশিয়ার এক  পর্যটক। বৃহস্পতিবার কাঠমান্ডুর মালয়েশীয় দূতাবাসে তিনি নিজেই সশরীরে হাজির হলে হইচই পড়ে যায়।

কয়েক সপ্তাহ আগে নেপালে আছড়ে পড়া আকস্মিক বন্যা ও ধসে তছনছ হয়ে গিয়েছিল বিস্তীর্ণ এলাকা। সেই সময় পাহাড়ি এলাকায় ট্রেকিং করছিলেন মালয়েশিয়ার ওই যুবক। বিপর্যয়ের পর থেকেই তাঁর মোবাইল বন্ধ হয়ে যায়, সমস্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। দিন যত পার হতে থাকে, যুবকের বেঁচে থাকার আশা তত ক্ষীণ হতে শুরু করে। এক সময় তাঁর পরিবারও ধরে নিয়েছিল যে চরম বিপর্যয় ঘটে গিয়েছে। এমনকি অজ্ঞাতপরিচয় মৃতদেহ শনাক্ত করার জন্য পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে ডিএনএ (DNA) নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছিল।
কিন্তু কথায় বলে, ‘রাখে হরি মারে কে!’ প্রকৃতির চরম রুদ্ররূপের মুখে দাঁড়িয়েও জীবনযুদ্ধের এই অসম লড়াইয়ে জিতে গেলেন ওই যুবক। গত ৩৭ দিন তিনি কীভাবে, কোন পরিস্থিতিতে পাহাড়ের দুর্গম খাঁজে বা জঙ্গলে বেঁচে ছিলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরে বৃহস্পতিবার তিনি যখন কাঠমান্ডুর মালয়েশিয়া দূতাবাসে পা রাখেন, তখন কূটনীতিক থেকে শুরু করে তাঁর পরিবারের চোখে আনন্দের জল।
দূতাবাস সূত্রে জানা গিয়েছে, যুবকের শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। তবে এতদিনের ধকলের কারণে তাঁকে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এই ঘটনা প্রমাণ করল, প্রকৃতির ধ্বংসলীলার চেয়েও মানুষের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের ক্ষমতা অনেক বেশি শক্তিশালী। 
উল্লেখ্য, গত ২৬ আগস্ট ব্যাপক হড়পা বানে একেবারে তছনছ হয়ে যায় মধ্য নেপালের বিস্তীর্ণ অংশ। ত্রিশূলী ও ভোটকোসি নদীর ধ্বংসযজ্ঞে প্রাণ হারান বহু মানুষ। ভয়ংকর দুর্যোগে কত বাড়ি, অফিস, সেতু, দোকান-বাজার ভেঙেছে, তার স্পষ্ট হিসাব এখনও প্রশাসনের কাছে নেই। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৪৫১। অন্তত ৬ হাজার মানুষ এখনও নিখোঁজ। পাশাপাশি তিব্বত অঞ্চলে মৃত্যু হয়েছে শতাধিক মানুষের।

আরও খবর