বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
জীবনযাপন

প্রতিদিনের মিলন কীভাবে নিবিড় করে স্বামী-স্ত্রীর বন্ধন

প্রকাশিত: ২৯ জুন, ২০২৬
প্রতিদিনের মিলন কীভাবে নিবিড় করে স্বামী-স্ত্রীর বন্ধন
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

বিশেষ প্রতিবেদন: ব্যস্ত জীবন, অফিশিয়াল ডেডলাইন আর সংসারের হাজারো দায়িত্বের মাঝে ইদানীং বহু দম্পতির জীবন থেকেই হারিয়ে যাচ্ছে সম্পর্কের সেই চেনা উষ্ণতা। অনেকেই মনে করেন, প্রেম তো মনে থাকে, শরীরে তার রোজকার প্রকাশ না হলেও চলে। কিন্তু মনোবিদ ও সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের দাবি সম্পূর্ণ উল্টো। তাঁরা বলছেন, প্রতিদিনের যান্ত্রিকতাকে দূরে সরিয়ে রেখে স্বামী-স্ত্রী যদি সপ্তাহে প্রতিদিন অন্তত কিছুটা সময় নিজেদের জন্য একান্তে কাটান এবং শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন, তবে সম্পর্কের টান বাড়ে বহুগুণ। রোজকার এই মিলন কেবল শারীরিক চাহিদা মেটায় না, বরং দুটি মনকে করে তোলে আরও বেশি কাছাকাছি।প্রতিদিন যৌন মিলনের মাধ্যমে কীভাবে দাম্পত্য জীবনে এক জাদুকরী রোমান্টিক পরিবর্তন আসে, রইল তার কিছু ঝলক।

শারীরিক মিলনের সময় মানবদেহে ‘অক্সিটোসিন’ (Oxytocin) নামক একটি হরমোন নিঃসৃত হয়, যাকে বলা হয় ‘লাভ হরমোন’ বা প্রেমের হরমোন। প্রতিদিন এই হরমোনের নিঃসরণ স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক বিশ্বাস এবং নির্ভরতা বাড়িয়ে দেয়। সারাদিনের মান-অভিমান, কর্মক্ষেত্রের ক্লান্তি বা মানসিক দূরত্ব এক নিমেষেই মুছে যায় রাতের এক টুকরো নিবিড় ছোঁয়ায়।

দাম্পত্যে সব কথা মুখে বলে বোঝানো যায় না। স্পর্শের ভাষা মুখের ভাষার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। রোজকার মিলন সঙ্গীকে এই বার্তা দেয় যে, শত ব্যস্ততার মাঝেও তিনি আপনার জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এই অনুভূতি সঙ্গীর মনে এক অদ্ভুত মানসিক তৃপ্তি ও নিরাপত্তা তৈরি করে, যা সম্পর্কের বাঁধনকে আরও মজবুত করে তোলে। 
প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় স্ট্রেস বা মানসিক চাপ এক বড় শত্রু। চিকিৎসকদের মতে, নিয়মিত যৌন মিলন শরীরে ‘এন্ডোরফিন’ নামক ফিল-গুড হরমোন নিঃসরণ করে। এটি প্রাকৃতিকভাবেই মানসিক চাপ কমিয়ে দেয় এবং ঘুম ভালো করতে সাহায্য করে। যার ফলে পরদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর দুজনেরই মেজাজ থাকে ফুরফুরে, যা পারিবারিক কলহ বা খিটখিটে ভাব দূর করতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে।

বিয়ে পুরোনো হলে অনেক সময় সম্পর্কে একঘেয়েমি চলে আসে। প্রতিদিনের মিলন সেই একঘেয়েমির দেওয়ালে নতুন রঙের ছোঁয়া আনে। একে অপরের শরীরকে নতুন করে চেনা, নতুন কোনো রোমান্টিক মুহূর্ত তৈরি করা— এই সবকিছুই দাম্পত্যে চিরবসন্ত বজায় রাখে। বয়স বাড়লেও মনের কোণে প্রেম থাকে একেবারে নতুন।তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, এই প্রতিদিনের মিলন যেন কোনো 'বাধ্যবাধকতা' বা রুটিনমাফিক কাজ না হয়ে ওঠে। এর পেছনে থাকা দরকার দু'জনেরই সমান ইচ্ছে, ভালোবাসা এবং একে অপরের প্রতি গভীর টান।

আরও জীবনযাপনের খবর