বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
রাজ্য

ডিজে মন্তব্য মামলায় আরও বিপাকে অভিষেক, দিতে হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা

প্রকাশিত: ২৪ জুন, ২০২৬
ডিজে মন্তব্য মামলায় আরও বিপাকে অভিষেক, দিতে হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব সংবাদদাতা: ডিজে বাজানো সংক্রান্ত বিতর্কিত মন্তব্য মামলায় বড়সড় আইনি ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তের স্বার্থে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের কণ্ঠস্বরের নমুনা (ভয়েস স্যাম্পল) সংগ্রহের জন্য রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি-র করা আবেদন মঞ্জুর করল বিধাননগর আদালত। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩০ জুন বিধাননগর আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের প্রত্যক্ষ নজরদারিতে নিজের কণ্ঠস্বরের নমুনা রেকর্ড করাতে হবে অভিষেককে।

কী ঘটেছিল নির্বাচনী জনসভায়? ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারপর্বে ভোটগণনা পরবর্তী পরিস্থিতি ও শাসকদলের ‘বিজয়োৎসব’ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বিরোধীদের তীব্র নিশানা করেছিলেন অভিষেক। দলীয় একটি সভা থেকে তিনি বলেছিলেন, “ডিজে তো বাজবেই, এমন জোরে বাজবে, কান ঝালাপালা করে দেব!” অভিষেকের এই মন্তব্যকে উস্কানিমূলক এবং বেফাঁস দাবি করে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে মামলার গুরুত্ব বিচার করে তদন্তের দায়িত্বভার নিজেদের হাতে নেয় সিআইডি।
ভবানী ভবনে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ ও নোটিসতদন্ত শুরু করার পর গত কয়েক দিনে দফায় দফায় সিআইডি-র সদর দফতর ভবানী ভবনে হাজিরা দিয়েছেন তৃণমূলের এই শীর্ষনেতা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন গোয়েন্দারা। এমনকি এই মামলার প্রেক্ষিতে অভিষেকের কালীঘাটের পটুয়াপাড়ার বাড়িতে গিয়েও নোটিস ধরিয়ে এসেছিল রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। তদন্তকারীদের দাবি, বিতর্কিত অডিও বা ভিডিওর সত্যতা এবং কণ্ঠস্বরের মিল নিশ্চিত করতে এবার অভিষেকের 'ভয়েস স্যাম্পল' নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সেই কারণেই মঙ্গলবার বিধাননগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন জানান সিআইডির আইনজীবীরা।
অদিতি গায়েনের বাড়িতে সিআইডিতদন্ত প্রক্রিয়া চলাকালীন সিআইডি জানতে পারে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বোনের মেয়ে অদিতি গায়েন অভিষেকের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলি দেখভাল করতেন। সেই সূত্র ধরেই হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে অদিতির বাড়িতে গিয়েও তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ চালান সিআইডি আধিকারিকরা।
আদালতের কড়া নির্দেশমঙ্গলবার সিআইডি-র আবেদন খতিয়ে দেখে তা মঞ্জুর করেন বিধাননগর আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট। তবে আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, সিআইডি এককভাবে এই নমুনা সংগ্রহ করতে পারবে না। ৩০ জুন সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে এবং কেন্দ্রীয় বা রাজ্য ফরেনসিক ল্যাবরেটরির বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে। আইনি মহলের মতে, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) ও সিবিআই-এর পাশাপাশি এবার রাজ্যের নিজস্ব তদন্তকারী সংস্থার এই সক্রিয়তায় ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের ওপর আইনি চাপ ও অস্বস্তি আরও কয়েক গুণ বেড়ে গেল।