বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
রাজ্য

হ্যাকারদের নিশানায় পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দার

প্রকাশিত: ৭ জুলাই, ২০২৬
হ্যাকারদের নিশানায় পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দার
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: একের পর এক হাইপ্রোফাইল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ওপর সাইবার হানার ঘটনা বেড়েই চলেছে। শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ এবং বিজেপি নেতা সম্বিত পাত্রের পর, এবার সাইবার অপরাধীদের খপ্পরে পড়লেন রাজ্যের পূর্ত ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের হেভিওয়েট মন্ত্রী অজয় কুমার পোদ্দার। সোমবার রাতে মন্ত্রীর ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) অ্যাকাউন্টটি হ্যাক করে নেয় একদল সাইবার প্রতারক। এরপরই মন্ত্রীর নম্বর থেকে তাঁর পরিচিত ও ঘনিষ্ঠ মহলে জরুরি ভিত্তিতে টাকা চেয়ে ভুয়ো মেসেজ পাঠানো শুরু হয়। ঘটনাটি জানাজানি হতেই রাজ্য রাজনীতি এবং প্রশাসনিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

পুলিশ ও মন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সোমবার আচমকাই বন্ধ করে দেয় মন্ত্রী অজয় কুমার পোদ্দারের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টটি। তিনি কিছু বুঝে ওঠার আগেই, তাঁর কনট্যাক্ট লিস্টে থাকা বিভিন্ন বিধায়ক, দলের কর্মী এবং প্রশাসনিক কর্তাদের মোবাইলে মন্ত্রীর নম্বর থেকে মেসেজ যেতে শুরু করে। মেসেজে দাবি করা হয়, মন্ত্রী বর্তমানে একটি জরুরি সমস্যায় পড়েছেন এবং তাঁর দ্রুত কিছু টাকার প্রয়োজন।

বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে একটি নির্দিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর বা ইউপিআই (UPI) আইডিও পাঠানো হয়। বিষয়টি মন্ত্রীর নজরে আসে যখন তাঁর কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তি ফোন করে টাকার প্রয়োজনের কারণ জানতে চান। তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নেন মন্ত্রী। নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক ও অন্যান্য সমাজমাধ্যমে (Social Media) একটি পোস্ট করে তিনি লেখেন, "আমার হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টটি হ্যাক করা হয়েছে। আমার নম্বর থেকে যদি কারও কাছে টাকা চেয়ে কোনো মেসেজ যায়, দয়া করে কেউ তাতে সাড়া দেবেন না বা টাকা পাঠাবেন না।"

একই কায়দায় এর আগে শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ ও সম্বিত পাত্রের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ায়, পুলিশ এই ঘটনার পেছনে কোনো বড়সড় আন্তঃরাজ্য হ্যাকার চক্রের হাত রয়েছে বলে মনে করছে। মন্ত্রীর দপ্তরের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই লালবাজার বা রাজ্য পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখায় একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি আইন মেনে অ্যাকাউন্টটি দ্রুত উদ্ধারের (Recover) চেষ্টা চালাচ্ছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা।