বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
রাজ্য

আবাস যোজনায় কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ, ৬ তৃণমূল নেতার বাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ

প্রকাশিত: ২২ জুন, ২০২৬
আবাস যোজনায় কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ, ৬ তৃণমূল নেতার বাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব সংবাদদাতা, কোচবিহার: আবাস প্লাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে বিপুল অংকের কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কোচবিহারের শীতলকুচি ও দিনহাটা এলাকা। এই দুই ব্লকের অন্তত ছয়জন তৃণমূল নেতার বাড়ি ও কার্যালয়ের সামনে লাঠিসোটা নিয়ে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন বঞ্চিত উপভোক্তা ও স্থানীয় বাসিন্দারা। ক্ষুব্ধ জনতার তাণ্ডবে এলাকা ছাড়তে হয় বেশ কয়েকজন নেতাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত শীতলকুচির গোঁসাইরহাট এবং খলিসামারি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এই বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করে। গোঁসাইরহাট পঞ্চায়েতের প্রধান কনকচন্দ্র বর্মণ, উপপ্রধান মমতা বর্মণ, খলিসামারি পঞ্চায়েতের উপপ্রধান দেলোয়ার আলি মিয়াঁ, গড়খোলা গ্রামের ২০৮ নম্বর বুথের তৃণমূল নেতা সমরেশ বর্মণ এবং রাজারবাড়ি গ্রামের ২২৩ নম্বর বুথের পঞ্চায়েত সদস্য শ্যামল কার্য্যীর বাড়ির সামনে এদিন গ্রামবাসীরা অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, সরকারি নিয়মে আবাসের ঘর দেওয়ার নাম করে তাঁদের কাছ থেকে কোথাও ১০ হাজার, আবার কোথাও ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত কাটমানি নেওয়া হয়েছে। টাকা দেওয়ার পরেও তালিকায় নাম না থাকায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁরা।
বিক্ষোভের মুখে পড়ে গোঁসাইরহাট পঞ্চায়েতের প্রধান কনকচন্দ্র বর্মণ সাফাই দিয়ে বলেন, “দলীয় কিছু কাজের জন্য কর্মীদের কাছ থেকে সামান্য অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছিল। তবে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ঘর দেওয়ার নামে কে বা কারা টাকা নিয়েছে, সে বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।” অন্যদিকে পঞ্চায়েতের উপপ্রধান মমতা বর্মণও সমস্ত দায় ঝেড়ে ফেলে দাবি করেছেন, “এই টাকা নেওয়ার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।”
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে শীতলকুচি থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের আশ্বস্ত করে অবরোধ তুলে দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোচবিহার জেলা রাজনীতিতে তৃণমূলের অন্দরের দুর্নীতি নিয়ে নতুন করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, কাটমানি সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ পেলে নির্দিষ্ট ধারায় তদন্ত করা হবে।