বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
রাজ্য

পুজোর আগেই স্বাস্থ্যসাথী থেকে আয়ুষ্মানে

প্রকাশিত: ৩ জুলাই, ২০২৬
পুজোর আগেই স্বাস্থ্যসাথী থেকে আয়ুষ্মানে
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পশ্চিমবঙ্গে পূর্বতন সরকারের ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পের জায়গায় কেন্দ্রীয় প্রকল্প ‘আয়ুষ্মান ভারত’ চালু করার প্রক্রিয়া গতি পাচ্ছে, যেখানে দুর্গাপুজোর আগেই উপভোক্তাদের হাতে নতুন কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘরে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই সময়সীমা বেঁধে দেন। রাজ্যের ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

ক্ষমতায় আসার পরপরই বর্তমান রাজ্য সরকার পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় চিকিৎসা বিমা প্রকল্প ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (Ayushman Bharat) কার্যকর করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এই নতুন ব্যবস্থা চালুর জন্য পূর্বতন তৃণমূল সরকারের ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পটিকে বন্ধ করার প্রয়োজন পড়েছে। প্রশাসনিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের বিদ্যমান উপভোক্তাদের পর্যায়ক্রমে আয়ুষ্মান ভারতের আওতায় নিয়ে আসা হবে। যোগ্য নাগরিকদের নতুন আয়ুষ্মান কার্ড বিতরণের মাধ্যমেই এই রূপান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘরে সমস্ত দপ্তরের শীর্ষকর্তা এবং জেলা শাসকদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে ভোটের আগে জনগণকে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করাই এই সরকারের মূল টার্গেট।
চিকিৎসা পরিষেবা যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সেজন্য অত্যন্ত সতর্কতার সাথে এই রূপান্তর প্রক্রিয়া চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিয়েছেন যে, আগামী দুর্গাপুজোর আগেই রাজ্যের মানুষের হাতে যেন ব্যাপকভাবে এই আয়ুষ্মান কার্ড পৌঁছে দেওয়া যায়, যাতে উৎসবের মরসুমের আগেই পর্যায়ক্রমে সকলে এই কেন্দ্রীয় সুবিধার আওতাভুক্ত হতে পারেন।
আয়ুষ্মান ভারত বা 'প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা' (PM-JAY) চালুর ফলে পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ দেশজুড়ে তালিকাভুক্ত যেকোনো সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে প্রতি বছর পরিবার পিছু সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা পাবেন। স্বাস্থ্যসাথীর তুলনায় এই প্রকল্পের নেটওয়ার্ক এবং চিকিৎসার পরিধি অনেক বেশি বিস্তৃত হওয়ায় রাজ্যের রোগীরা ভিনরাজ্যে গিয়েও সহজে চিকিৎসার সুবিধা পাবেন বলে সরকারি আধিকারিকদের আশা।
আপাতত নবান্নের পক্ষ থেকে জেলা স্তরে উপভোক্তাদের তালিকা যাচাই এবং কার্ড তৈরির পরিকাঠামো দ্রুত প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব হয়।