বাঁকুড়ার ‘মেচা সন্দেশ’ থেকে ‘দশাবতার তাস’ পেল বিশ্ব স্বীকৃতি
নিজস্ব সংবাদদাতা, বাঁকুড়া: বিশ্বমঞ্চে ফের জয়জয়কার রাঙামাটির জেলা বাঁকুড়ার। জেলার ঐতিহ্যবাহী আরও ছ’টি সামগ্রী জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন বা ‘জিআই’ (GI) তকমা লাভ করল। এই তালিকায় যেমন রয়েছে বেলিয়াতোড়ের বিখ্যাত মেচা সন্দেশ, তেমনই স্থান পেয়েছে বিষ্ণুপুরের অতি প্রাচীন দশাবতার তাস। একসঙ্গে এতগুলো সামগ্রী এই বিশেষ সম্মান পাওয়ায় খুশির হাওয়া জেলা জুড়ে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এবার বাঁকুড়ার যে ছ’টি সামগ্রী জিআই তকমা পেয়েছে সেগুলি হল— বেলিয়াতোড়ের মেচা সন্দেশ, বিষ্ণুপুরের দশাবতার তাস, কাঁসা-পিতলের বাসন, বাবুই (সাবাই) ঘাসের কাজ, শাঁখের কাজ এবং বিশেষ ধরনের ধ্বনি বাটি বা ‘সিঙ্গিং বাউল’।
বাঁকুড়ার জেলাশাসক অনীশ দাশগুপ্ত জানান, এর আগে জেলার চারটি সামগ্রী জিআই তকমা পেয়েছিল। সেগুলি হল— পাঁচমুড়ার টেরাকোটা, বালুচরি শাড়ি, ডোকরা শিল্প এবং বিষ্ণুপুরের মতিচুরের লাড্ডু। এবার নতুন করে আরও ছ’টি সামগ্রী এই তালিকায় যুক্ত হওয়ায় জেলার মোট জিআই তকমা প্রাপ্ত সামগ্রীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল দশে।
এই জোড়া সাফল্যে আনন্দিত জেলার কুটির শিল্পী ও ব্যবসায়ীরা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই বিশ্ব স্বীকৃতির ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে বাঁকুড়ার এই লোকশিল্প ও মিষ্টির চাহিদা যেমন বাড়বে, তেমনই লাভবান হবেন স্থানীয় কারিগররা।

