বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
রাজ্য

তৈরি হবে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সুউচ্চ মূর্তি, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

প্রকাশিত: ৮ জুন, ২০২৬
তৈরি হবে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সুউচ্চ মূর্তি, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ভারতীয় জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতি ও অবদানকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে এক ঐতিহাসিক উদ্যোগের ঘোষণা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কলকাতায় তৈরি হতে চলেছে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের একটি ১২৫ ফুট উঁচু সুবিশাল মূর্তি, যা হবে এ রাজ্যে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের স্মরণে তৈরি অন্যতম দীর্ঘতম স্মারক। রবিবার দমদমে দলের একটি সাংগঠনিক বৈঠক চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য ক্যাবিনেটের এই সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে আনেন।
ড. মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের তত্ত্বাবধানে বছরব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেই উদযাপনেরই প্রধান অঙ্গ হিসেবে এই সুউচ্চ মূর্তিটি গড়ে তোলা হবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, মূর্তি নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যেই নির্দিষ্ট জমি কেনা হয়েছে। শুধু মূর্তিই নয়, ওই চত্বরে একটি অনন্য স্মারকক্ষেত্র (মেমোরিয়াল) এবং একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি বা পাঠাগারও গড়ে তুলবে রাজ্য সরকার।
ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবর্ষের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মূর্তিটির উচ্চতা রাখা হচ্ছে ১২৫ ফুট। আগামী ৬ জুলাই, ড. মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মজয়ন্তীর পুণ্য তিথিতে এই প্রকল্পের স্থান নিশ্চিত করে আনুষ্ঠানিকভাবে ভূমিপূজন করা হবে।
 এই মেগা প্রকল্পের শিলান্যাস বা ভূমিপূজন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অথবা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জানা গেছে।

 বছরব্যাপী এই উৎসব ও প্রকল্পের কাজ তদারকি করতে একটি বিশেষ উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হচ্ছে, যেখানে প্রায় ১০ জন মন্ত্রী ও বিধায়কের পাশাপাশি সমাজের অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা স্থান পাবেন। 
সাংগঠনিক বৈঠকে ভাষণ 
দেওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ১৯৪৭ সালের দেশভাগের সময় ভারতীয় ইউনিয়নের মধ্যে 'পশ্চিমবঙ্গ' রাজ্য গঠনে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং স্বামী প্রণবানন্দের অনবদ্য ও দূরদর্শী ভূমিকার কথা সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন। তিনি অভিযোগের সুরে বলেন, পূর্ববর্তী সরকারগুলি ইচ্ছা করেই এই মহান জাতীয়তাবাদী নেতাদের অবদানকে ছোট করে দেখানোর চেষ্টা করেছিল। তবে বর্তমান সরকার বাংলার প্রকৃত ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং যোগ্য মনীষীদের সঠিক সম্মান ও স্বীকৃতি দিতে সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
 কলকাতার বুকে এই প্রস্তাবিত স্মারকটি আগামী প্রজন্মের কাছে জাতীয়তাবাদ, একতা এবং বাংলার সাংস্কৃতিক গৌরবের এক অনন্য প্রতীক হয়ে উঠবে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।