বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
রাজ্য

উত্তরবঙ্গ ও সিকিমে প্রবল দুর্যোগ, জোড়া ফলায় ভাসছে জলপাইগুড়ি-আলিপুরদুয়ার

প্রকাশিত: ২৫ জুন, ২০২৬
উত্তরবঙ্গ ও সিকিমে প্রবল দুর্যোগ, জোড়া ফলায় ভাসছে জলপাইগুড়ি-আলিপুরদুয়ার
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: অতি সক্রিয় মৌসুমি বায়ু (Southwest Monsoon) এবং শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্তের জোড়া ফলায় উত্তরবঙ্গ জুড়ে শুরু হয়েছে প্রকৃতির তাণ্ডব। আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় এই মুহূর্তে প্রবল বর্ষণ চলছে। ভারতের আবহাওয়া দফতর (IMD) জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গের হিমালয় সংলগ্ন জেলাগুলির পাশাপাশি প্রতিবেশী রাজ্য সিকিম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে আগামী কয়েকদিন আবহাওয়া অত্যন্ত দুর্যোগপূর্ণ থাকবে। ইতিমধ্যেই উপগ্রহ চিত্রে হিমালয় পাদদেশীয় অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা (Red Alert) জারি করা হয়েছে।
পাহাড়ে ধস ও হড়পা বানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। লাগাতার বৃষ্টির জেরে পাহাড় ও সমতলের পরিস্থিতি ক্রমশ আশঙ্কাজনক হয়ে উঠছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে অতি ভারী বৃষ্টির কারণে বিপজ্জনক ভূমিধ্বস (Landslide) এবং হড়পা বানের (Flash Flood) প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর সিকিমের মঙ্গন, লাচেন ও লাচুং রুটে ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় ধস নেমে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

 ধসের আশঙ্কায় দার্জিলিং ও কালিম্পং পাহাড়ে পর্যটকদের অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।
ফুঁসছে তিস্তা-তোর্সা, বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সমতলেও। পাহাড়ের অবিরাম বৃষ্টির জল সমতলে নেমে আসায় ডুয়ার্স এবং সংলগ্ন এলাকার নদীগুলির জলস্তর দ্রুত বাড়ছে। তিস্তা, তোর্সা, জলঢাকা ও কালজানী নদী বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। সেচ দফতরের পক্ষ থেকে তিস্তা ও জলঢাকা নদীর অসংরক্ষিত এলাকায় ইতিমধ্যেই 'হলুদ সতর্কতা' (Yellow Alert) জারি করা হয়েছে। গজলডোবা ব্যারেজ থেকে দফায় দফায় জল ছাড়ার ফলে নদীর চর ও প্লাবনভূমিগুলি জলমগ্ন হতে শুরু করেছে। সমতলের নিচু এলাকাগুলিতে স্থানীয়ভাবে বন্যা পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

উত্তর-পূর্ব ভারতেও জারি হয়েছে চরম সতর্কতা। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, সক্রিয় ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে উত্তর-পূর্ব ভারতের আসাম, মেঘালয় এবং অরুণাচল প্রদেশেও আগামী দিনগুলিতে ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত অত্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জি এবং মৌসিনরামের মতো অঞ্চলগুলিতেও প্রবল বর্ষণের সতর্কতা রয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর (NDRF) এবং স্থানীয় প্রশাসনকে যেকোনো পরিস্থিতি সামাল দিতে হাই-অ্যালার্টে রাখা হয়েছে।