বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
রাজ্য

'শ্যামাপ্রসাদের বাংলা’ গড়ার শপথ পূরণ, মহাসাড়ম্বরে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন

প্রকাশিত: ২১ জুন, ২০২৬
'শ্যামাপ্রসাদের বাংলা’ গড়ার শপথ পূরণ, মহাসাড়ম্বরে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিধানসভা ভোটের আগে বাংলায় এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বারবার ‘ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্নের বাংলা’ গড়ে তোলার ডাক দিয়েছিলেন। গত ৪ মে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের মাধ্যমে সেই অঙ্গীকার পূরণ হয়েছে। রাজ্যের ইতিহাসে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে এই প্রথমবার সরকার গঠন করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এবং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এই রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ২০ জুন, শনিবার রাজ্যজুড়ে প্রথমবার মহাসাড়ম্বরে উদযাপিত হল ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’।

এই ঐতিহাসিক এবং বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে বাংলা ভাষায় একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ চিঠি পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চিঠিতে তিনি বাংলার গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের স্মৃতিচারণ করেছেন। মোদি লিখেছেন, ‘ঔপনিবেশিক ভারতে বঙ্গভূমি থেকেই প্রথম ধ্বনিত হয়েছিল বন্দে মাতরম।’ বাংলার মাটি ও মানুষের বীরত্ব, স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং সাংস্কৃতিক অবদানের কথা তিনি চিঠিতে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে উল্লেখ করেছে। পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপনের এই দিনটিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, আগের সরকার কেবল নিজেদের ভোটব্যাঙ্ক এবং তোষণের রাজনীতি টিকিয়ে রাখতে বাঙালির এই আত্মপরিচয়ের দিনটিকে ইতিহাসের পাতা থেকে সম্পূর্ণ ধামাচাপা দিতে চেয়েছিল। মানুষের মন থেকে পশ্চিমবঙ্গ সৃষ্টির নেপথ্য নায়কদের অবদান ভুলিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার সেই ভুল সংশোধন করে বাংলার প্রকৃত ইতিহাসকে তার স্বমহিমায় পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছে। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান না থাকলে ভারতের মানচিত্রে পশ্চিমবঙ্গের কোনো অস্তিত্বই থাকত না বলে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন।
এই বছর ২০ জুনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বাংলায় এসেছেন। হুগলির তারকেশ্বরে আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে তিনি দাবি করেন, বাংলার বাতাস এখন দীর্ঘদিনের শৃঙ্খল ও তোষণের রাজনীতি থেকে মুক্ত হয়ে এক নতুন সতেজতা অনুভব করছে। সব মিলিয়ে, নতুন সরকারের হাত ধরে এবারের পশ্চিমবঙ্গ দিবস বাঙালির নিজস্ব আবেগ, রাজনৈতিক পালাবদল এবং দীর্ঘদিনের লড়াইয়ের এক ঐতিহাসিক উদযাপনে পরিণত হল।