বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
রাজ্য

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পাশ ওবিসি সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বিল

প্রকাশিত: ২৯ জুন, ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পাশ ওবিসি সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বিল
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে পাশ হয়ে গেল ওবিসি (OBC) সংরক্ষণ সংক্রান্ত দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বিল। আজ, সোমবার বিধানসভার অধিবেশনে ভোটাভুটির মাধ্যমে এই বিল দুটি পাশ করানো হয়। বিল দুটির পক্ষে ১৮৬টি ভোট এবং বিপক্ষে ১৭টি ভোট পড়ে। অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণমন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ হাউসে এই বিল দুটি পেশ করেন।

প্রথম বিল: দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসেস (আদার দ্যান এসসি অ্যান্ড এসটি) রিজার্ভেশন অফ ভ্যাকেন্সিস ইন সার্ভিসেস অ্যান্ড পোস্টস (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬। এই বিলটির মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) আমলের ২০১২ সালের মূল আইনটি সংশোধন করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে ওবিসি সংরক্ষণ কাঠামো পুনর্বিন্যাস করতে এবং ওবিসি তালিকায় মূলত ৬৬টি শ্রেণিকে সংরক্ষণ সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ।

দ্বিতীয় বিল: দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল কমিশন ফর ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসেস (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬। এই বিলটির মাধ্যমে বামফ্রন্ট আমলের ১৯৯৩ সালের আইনটি সংশোধন করা হচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো রাজ্য অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের (State Backward Classes Commission) ক্ষমতা, গঠন এবং কার্যকারিতা আরও স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট করা।

কলকাতা হাইকোর্টের ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক রায়কে মাথায় রেখে এই আইনি বদল আনা হয়েছে বলে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। নতুন বিলের মাধ্যমে ওবিসি তালিকা থেকে যথাযথ ক্ষেত্রসমীক্ষা (Field Survey) ছাড়া যুক্ত হওয়া ১১৩টি উপজাতি বা শ্রেণিকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং কমিশনের স্ক্রুটিনি করার ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিলটি পাসের আগে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ক্ষুব্ধ তৃণমূল বিধায়কদের একটি অংশ কক্ষত্যাগ (Walkout) করেন। অন্যদিকে, আইএসএফ (ISF) বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকী সামাজিক ন্যায়ের পরিপন্থী দাবি করে এই বিলের বিরোধিতা করেন ও এটি সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর আর্জি জানান। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটাভুটির মাধ্যমে বিল দুটি বিধানসভায় ছাড়পত্র পায়।