বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
বিদেশ

সেনাপ্রধান জেনারেলের নেপাল সফরে বরফ গলার ইঙ্গিত! ভারতীয় ফৌজে ফিরবে গোর্খা নিয়োগ?

প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট, ২০২৬
সেনাপ্রধান জেনারেলের নেপাল সফরে বরফ গলার ইঙ্গিত! ভারতীয় ফৌজে ফিরবে গোর্খা নিয়োগ?
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: চার দিনের দ্বিপক্ষীয় সরকারি সফরে নেপালে গিয়ে এক বিরল ও ঐতিহ্যবাহী সম্মানে ভূষিত হলেন ভারতের নতুন সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠ। সোমবার (১৭ আগস্ট) কাঠমান্ডুর রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন ‘শীতল নিবাসে’ আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে নেপালের প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌডেল তাঁকে নেপালি সেনাবাহিনীর ‘অনারারি জেনারেল’ (সম্মানসূচক জেনারেল) পদমর্যাদা প্রদান করেন।

১৯৫০ সাল থেকে চলে আসা দুই দেশের সামরিক কূটনীতির দীর্ঘদিনের অনন্য ঐতিহ্য মেনে এই দ্বিপক্ষীয় সম্মাননা দেওয়া হয়। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাম সহায় প্রসাদ যাদব, পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল, নেপালে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত নবীন শ্রীবাস্তব সহ নেপালি সেনা ও সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
ভারতীয় সেনাপ্রধানের এই সফরের পর প্রতিরক্ষা ও কূটনৈতিক মহলে জোরালো প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে— ভারত ও নেপালের এই সুদৃঢ় সামরিক সম্পর্কের আবহে কি ভারতীয় সেনাবাহিনীতে নেপালি গোর্খাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু হতে চলেছে? ২০২২ সালে ভারত সরকার ‘অনারারি বা চুক্তিভিত্তিক’ সেনা নিয়োগের জন্য অগ্নিপথ প্রকল্প চালু করার পর থেকেই নেপালি গোর্খাদের ভারতীয় ফৌজে নিয়োগ থমকে রয়েছে। নেপাল সরকারের দাবি ছিল, ৪ বছরের চুক্তিভিত্তিক এই চাকরি ১৯৫০ সালের ত্রিপক্ষীয় (ভারত-নেপাল-যুক্তরাজ্য) চুক্তির পরিপন্থী। এর ফলে গত কয়েক বছর ধরে ঐতিহ্যবাহী ‘গোর্খা রাইফেলস’-এ নেপালের গোর্খা যুবকদের ভর্তি বন্ধ রয়েছে।
 জেনারেল ধীরাজ শেঠের এই সফরে নেপালের সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগদেল এবং নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, 'অনারারি জেনারেল' প্রদানের এই মঞ্চ কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং দুই দেশের সেনাবাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক আস্থা ও বন্ধুত্বের প্রতীক।
 সফরের শেষ লগ্নে জেনারেল শেঠ পোখারায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রাক্তন নেপালি বীর সৈনিক ও তাঁদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার সূচি রেখেছেন। এই জনসংযোগ গোর্খা সেনানিদের আবেগকে স্পর্শ করার একটি বড় কূটনৈতিক চাল বলে মনে করা হচ্ছে।

কূটনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, ভারত ও নেপালের এই গভীর সেনা-টু-সেনা সম্পর্কের (Army-to-Army relations) ওপর ভিত্তি করেই গোর্খা নিয়োগের আইনি ও নীতিগত জটিলতা কাটানোর চেষ্টা চলছে। এই সফরের ইতিবাচক প্রভাব যদি আলোচনার টেবিলে পড়ে, তবে খুব শীঘ্রই গোর্খাদের ভারতীয় ফৌজে ফেরার পথ প্রশস্ত হতে পারে।

আরও বিদেশ খবর