বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
জেলা

মমতার ‘ব্যর্থ প্রকল্প’ বর্ধমান মিষ্টি হাবে এবার গড়ে উঠবে ফুড প্রসেসিং ইউনিট ও আলুর হাব

প্রকাশিত: ১০ জুলাই, ২০২৬
মমতার ‘ব্যর্থ প্রকল্প’ বর্ধমান মিষ্টি হাবে এবার গড়ে উঠবে ফুড প্রসেসিং ইউনিট ও আলুর হাব
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমানার অন্যতম ‘ব্যর্থ প্রকল্প’ বর্ধমানের মিষ্টি হাবকে এবার বিকল্প উপায়ে পুনরুজ্জীবিত করতে চলেছে রাজ্যের বর্তমান ডবল ইঞ্জিন সরকার। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ও পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা এই বিশাল ভবনে নতুন কর্মসংস্থান এবং বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে বিকল্প শিল্পের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন সরকার এই মিষ্টি হাব চত্বরে একটি অত্যাধুনিক ফুড প্রসেসিং ইউনিট (খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র) গড়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর পাশাপাশি এখানে রাইস ইউনিট এবং একটি পট্যাটো হাব বা আলুর হাব গড়ার ব্যাপারেও গুরুত্ব সহকারে চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে।

রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র এই প্রকল্পকে ঘিরে নতুন আশার কথা শুনিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, কোটি কোটি টাকা খরচ করে তৈরি এই বিশাল পরিকাঠামো বছরের পর বছর ধরে নষ্ট হচ্ছিল। বর্তমান সরকার সেই অপচয় রুখে স্থানীয় মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে বদ্ধপরিকর। ফুড প্রসেসিং ইউনিট ও পট্যাটো হাব তৈরি হলে বর্ধমান এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার আলু চাষী ও ধান চাষীরা সরাসরি উপকৃত হবেন। উৎপাদিত ফসলের সঠিক দাম পাওয়ার পাশাপাশি এলাকার অর্থনৈতিক চিত্রও বদলে যাবে।

উল্লেখ্য, বর্ধমানের বিখ্যাত সীতাভোগ ও মিহিদানা বিপণন এবং পর্যটকদের আকর্ষণ করতে বামফ্রন্ট সরকারের আমলের পর তৃণমূল জমানায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বাম চণ্ডীপুরের কাছে এই মিষ্টি হাব তৈরি করা হয়েছিল। ২০১৬ সালে এর উদ্বোধন হলেও ভুল পরিকল্পনা ও ব্যবসায়ীদের অনিচ্ছার কারণে এই প্রকল্প পুরোপুরি মুখ থুবড়ে পড়ে। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই হাব কার্যত ভূতুরে বাড়িতে পরিণত হয়েছিল।
রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর শুভেন্দু অধিকারীর সরকার এই বন্ধ প্রকল্পকে নতুন রূপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন বর্ধমানের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।

আরও জেলা খবর