বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

ইপিএফও-তে বড় বদল, লাভবান হবেন লাখো বেসরকারি কর্মী

প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ইপিএফও-তে বড় বদল, লাভবান হবেন লাখো বেসরকারি কর্মী
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশের কোটি কোটি বেসরকারি চাকুরিজীবীদের জন্য উৎসবের মরসুমের আগেই বিরাট সুখবর নিয়ে এল কেন্দ্র মোদী সরকার। প্রভিডেন্ট ফান্ড বা ইপিএফও (EPFO)-তে বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে বেতনের ঊর্ধ্বসীমা একধাক্কায় ১০ হাজার টাকা বাড়িয়ে দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এত দিন নিয়ম ছিল, কোনো কর্মীর মাসিক মূল বা বেসিক বেতন সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হলে তিনি বাধ্যতামূলকভাবে পিএফের আওতাভুক্ত হতেন। এবার সেই ঊর্ধ্বসীমাটি বাড়িয়ে একযোগে ২৫ হাজার টাকা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।

বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এই সিদ্ধান্তের কথা সাংবাদিকদের জানান। তিনি স্পষ্ট করেন, দীর্ঘ ১২ বছর পর পরিবর্তিত বাজার পরিস্থিতি এবং চাকুরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি মাথায় রেখেই শ্রম মন্ত্রকের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবে সিলমোহর দেওয়া হয়েছে। এর আগে শেষ বার ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই ঊর্ধ্বসীমা সাড়ে ৬ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ হাজার টাকা করা হয়েছিল।
কেন্দ্রীয় সূত্রের দাবি, এই নয়া সিদ্ধান্তের ফলে দেশের অতিরিক্ত প্রায় ৫১ লক্ষ কর্মী একধাক্কায় বাধ্যতামূলকভাবে পিএফের সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনীর মধ্যে চলে আসবেন। অন্যদিকে, বেতনের সিলিং বাড়ায় স্বাভাবিকভাবেই কর্মীদের পিএফ অ্যাকাউন্টে জমার পরিমাণ অনেকটাই বাড়বে, যা অবসর জীবনের সঞ্চয়কে আরও মজবুত করবে। তবে এর জেরে কর্মীদের হাতে পাওয়া বেতনের (টেক হোম পে) পরিমাণ সাময়িকভাবে কিছুটা কমতে পারে, কারণ পিএফের জন্য বেতনের ১২ শতাংশ কাটার ভিত্তি এখন বৃদ্ধি পাবে হাতে পাওয়া বেতনের পরিমাণ কমবে।
এই নয়া ব্যবস্থা কার্যকর করতে কেন্দ্রীয় সরকারের কোষাগার থেকে বার্ষিক অতিরিক্ত প্রায় ১১,৩৩৯ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে সরকারের বার্ষিক ব্যয় আনুমানিক ১১,৩৩৯ কোটি। পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলিরও কর্মীদের পিএফ খাতে দেওয়ার আইনি খরচের পরিমাণ কিছুটা বাড়বে। তবে সব মিলিয়ে এই পদক্ষেপকে দেশের শ্রমজীবী মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।