বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

কাগজ নয়, ভারতে আসছে প্লাস্টিকের নোট

প্রকাশিত: ১ জুন, ২০২৬
কাগজ নয়, ভারতে আসছে প্লাস্টিকের নোট
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ডিজিটাল ইন্ডিয়া বা অনলাইন লেনদেনের জনপ্রিয়তা যতই বাড়ুক না কেন, ভারতে কাগজের নোটের চাহিদায় কিন্তু বিন্দুমাত্র ভাঁটা পড়েনি। বরং দেশজুড়ে কাগজের টাকা বা ক্যাশ লেনদেনের পরিমাণ দিন দিন আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এই ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এক ঐতিহাসিক ও বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (RBI)। আগামী দিনে দেশের সাধারণ মানুষের পকেটে আর কাগজের নোট থাকবে না, তার জায়গা নিতে চলেছে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পলিমার বা প্লাস্টিকের নোট।

সূত্রের খবর, ভারতে প্লাস্টিকের নোট চালুর বিষয়ে ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত স্তরের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। খুব শীঘ্রই একটি 'পাইলট প্রজেক্ট' বা পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে দেশের কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় এই প্লাস্টিক নোট বাজারে ছাড়া হতে পারে। এই বিষয়ে সম্প্রতি রিজার্ভ ব্যাংকের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের মধ্যে পরপর দু’দফায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। 
যে সময় নোটবাতিল করা হয়েছিল সেই ২০১৬ সালে বাজারে নোট চালু ছিল ২৮ লক্ষ কোটি টাকা। ২০২৬ সালের মে মাসে বাজারে বৈধ নোটের অঙ্ক ৪২ লক্ষ কোটি টাকা। রিজার্ভ ব্যাংক তাদের রিপোর্টে জানাচ্ছে ১০ এবং ২০ টাকার নোটের চাহিদা ঊর্ধ্বগামী। এই টাকা কোনো মেশিনে পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের কাজে লাগছে। এই দুই অঙ্কের ধাতব মুদ্রা চালু করা হলেও সেটি সফলতা পায়নি। কয়েনের ব্যবহার নিরাপদ। ছেঁড়ার সম্ভাবনা নেই। অথচ কয়েনের ব্যবহারের তুলনায় আমজনতা ১০ ও ২০ টাকার নোট বেশি ব্যবহার করতে চা‌ইছে। একান্তই না পেলে কয়েন দেওয়া নেওয়া চলছে। আর এই চাহিদার কারণে সব ধরনের নোটই আবার বেশি করে বাজারে আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তবে কাগজের পরিবর্তে পলিমার নোট ব্যবহার করা যায় কি না, আপাতত সেই পরীক্ষা চলছে। কিন্তু পলিমার নোট কি ভাঁজ করা যাবে? এই প্রশ্নও উঠছে।
কিন্তু কেন হঠাৎ কাগজের বদলে প্লাস্টিকের নোট আনার এই বিরাট উদ্যোগ নেওয়া হলো? অনেকগুলি কারন রয়েছে। যেমন - মানুষের মধ্যে এখনও নগদ টাকার ব্যবহার ও চাহিদা প্রবল। কাগজের নোট দ্রুত ছিঁড়ে যায়, জলে ভিজলে নষ্ট হয় এবং এর গড় আয়ু খুবই কম। ফলে প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকার পুরনো ছেঁড়া নোট বাতিল করে নতুন নোট ছাপাতে রিজার্ভ ব্যাংকের বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ হয়। প্লাস্টিকের নোট জলপ্রতিরোধী, সহজে ছেঁড়ে না এবং অনেক বেশি দীর্ঘস্থায়ী হয়। ফলে জাল নোট তৈরি করাও কঠিন হবে এবং সরকারের নোট ছাপানোর খরচও এক ধাক্কায় অনেকটা কমে যাবে।