বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

সীমান্তবর্তী বন্ধ চা বাগানের জমি ফেরাতে উদ্যোগী বিজেপি

প্রকাশিত: ২ জুন, ২০২৬
সীমান্তবর্তী বন্ধ চা বাগানের জমি ফেরাতে উদ্যোগী বিজেপি
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ইসলামপুর থানার অন্তর্গত একটি বন্ধ হয়ে যাওয়া বেসরকারি চা বাগানের জমি প্রকৃত মালিকদের ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ থাকা এই বাগানের জমি প্রকৃত জমিদাতারা যাতে ফেরত পান, তার জন্য কোমর বেঁধে মাঠে নামছে গেরুয়া শিবির। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর মহকুমার স্থানীয় বাসিন্দা এবং রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা ও চাঞ্চল্য শুরু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই চা বাগানটি একটি বেসরকারি কোম্পানির অধীনে ছিল। বেশ কিছু বছর আগে সেটি আচমকাই বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয় আদিবাসী এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষ একসময় এই বাগানের জন্য নিজেদের জমি দিয়েছিলেন। বাগান বন্ধ হওয়ার পর থেকেই সেই জমিদাতারা চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছেন। বিজেপির অভিযোগ, বাগানটি বন্ধ থাকার সুযোগ নিয়ে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশ নেতা ও কর্মী সেখানে নিজেদের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়েছেন। তাঁরা বেআইনিভাবে ওই বাগান থেকে মূল্যবান চা পাতা তুলে বাজারে বিক্রি করে টাকা কামিয়েছেন, অথচ প্রকৃত জমিদাতারা কিছুই পাননি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাগান করার সময় যাঁরা জমি দিয়েছিলেন। বাগানে তাঁদের কাজ দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। জমিদাতারা ভেবেছিলেন কাজ করে সংসার চালাবেন। কিন্তু বাগান বন্ধ হয়ে যায়। জমিদাতাদের দাবি, মালিকপক্ষ যেহেতু বাগান ছেড়ে চলে গিয়েছে, তাই জমি ফিরিয়ে দেওয়া হোক। 
অনেকের অভিযোগ, যাঁরা বাগানে জমি দান করেননি এমন লোকেদের চাকার বিনিময়ে পাতা তোলার অধিকার দিয়েছিলেন তৃণমূলের এক প্রভাবশালী নেতা। জমিদাতা সংগ্রাম সিংহ বলেন, আমাদের পরিবার ১২ বিঘা জমি দিয়েছিল বাগান কর্তৃপক্ষকে। কিন্তু তারা বাগান ছেড়ে চলে যাওয়ার পরেও সেই জমি থেকে পাতা তুলতে পারিনি। তৃণমূল নেতারা নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন। পাতা তুলতে গেলেই হুমকি দিতেন তাঁরা। 
বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, ক্ষমতার অপব্যবহার করে গরিব মানুষের জমি আটকে রাখা আর চলবে না। যাঁরা বাগানের জন্য জমি দিয়েছিলেন, আইনি উপায়ে জমি তাঁদের হাতেই ফিরিয়ে দিতে হবে। এই দাবিতে তারা খুব শীঘ্রই একটি বড়সড় আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করছে। প্রয়োজনে সীমান্তবর্তী ওই এলাকায় জনমত গঠন করে মহকুমা শাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হবে বলেও দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।