বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

কলকাতা বিমানবন্দরে যাত্রী সুবিধায় একগুচ্ছ পদক্ষেপ

প্রকাশিত: ৪ জুন, ২০২৬
কলকাতা বিমানবন্দরে যাত্রী সুবিধায় একগুচ্ছ পদক্ষেপ
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ কলকাতা বিমানবন্দর দিয়ে যাতায়াতকারী বিমানযাত্রীদের জন্য সুখবর। যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও সুবিধার কথা মাথায় রেখে একগুচ্ছ নতুন এবং অত্যাধুনিক পদক্ষেপ নিল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। বিমানবন্দর ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা আরও স্বছন্দ্য ও আরামদায়ক করতে বিভিন্ন পর্যায়ে পরিকাঠামোগত নানা বদল আনা হয়েছে। উৎসবের মরশুম বা সাধারণ দিনে যাত্রীদের বাড়তি ভিড় সামাল দিতেই এই বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে।

কর্তৃপক্ষের নেওয়া পদক্ষেপগুলির মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো টার্মিনাল এরিয়ার পরিধি বাড়ানো। বিমানবন্দরের ভেতরের জায়গার অভাব দূর করতে টার্মিনাল বিল্ডিংয়ের অভ্যন্তরীণ অংশে ৯৬৬ বর্গমিটার নতুন এলাকা সাধারণ যাত্রীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। এই বাড়তি জায়গা যুক্ত হওয়ার ফলে বিমান ধরার আগে যাত্রীরা অনেক বেশি খোলামেলা পরিবেশ পাবেন। একই সঙ্গে বিমানবন্দরের ভেতরে হুড়োহুড়ি বা ভিড়ের চাপ অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
যাত্রীদের টার্মিনালে প্রবেশ এবং সুরক্ষাবলয় পার হওয়ার প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত করতে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। নতুন চালু হওয়া এই অংশে যাত্রীদের সহজে প্রবেশের জন্য একাধিক নতুন গেট তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে বোর্ডিং পাস পরীক্ষা বা সিকিউরিটি চেকিংয়ের লাইনে দাঁড়িয়ে যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে না। বয়স্ক নাগরিক, শিশু এবং অসুস্থ যাত্রীরা যাতে কোনো রকম হয়রানি ছাড়াই বিমানবন্দরে প্রবেশ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এই গেটগুলি তৈরি করা হয়েছে।
এর পাশাপাশি, বিমান ছাড়ার আগে যাত্রীদের বিশ্রামের জন্য বসার জায়গার সমস্যা দূর করতেও উদ্যোগী হয়েছে কর্তৃপক্ষ। নতুন করে গড়ে তোলা এই বিশাল এলাকায় বসার জন্য প্রচুর অতিরিক্ত আসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আধুনিক ও আরামদায়ক এই আসনগুলি দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার ক্লান্তি অনেকটাই কমিয়ে দেবে।
কলকাতা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দিন দিন এই বিমানবন্দরে যাত্রী সংখ্যা রেকর্ড হারে বাড়ছে। সেই ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এই আধুনিকীকরণ। নতুন এই পরিকাঠামো চালুর ফলে যাত্রীদের নিরাপত্তা যেমন সুনিশ্চিত হবে, তেমনই কম সময়ে সমস্ত নিয়মকানুন শেষ করে তাঁরা বিমানে উঠতে পারবেন। সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিষেবা দেওয়াই এই সমস্ত পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য। পরিকাঠামোগত এই বিষয়গুলো উন্নত হওয়ার ফলে বিমানবন্দরের বার্ষিক যাত্রী পরিবহন ক্ষমতা ২ কোটি ৬০ লক্ষ থেকে বেড়ে ২ কোটি ৮০ লক্ষতে পৌঁছাবে।