হট টপিক
ভোট পরবর্তী হিংসায় সরব মমতা ধর্নায় অনড়
প্রকাশিত: ১ জুন, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ভোট পরবর্তী হিংসাকে কেন্দ্র করে এবার সরাসরি রাজ্য প্রশাসন তথা পুলিশের সঙ্গে সংঘাতের পথে হাঁটলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচনী হিংসার প্রতিবাদে ২ জুন, মঙ্গলবার কলকাতার রানি রাসমণি রোডে ধর্ণা কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন তিনি। সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত টানা ১০ ঘণ্টার এই প্রতিবাদ কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, তৃণমূল নেত্রী নিজে বেলা ২টো থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত টানা ৬ ঘণ্টা এই ধর্ণামঞ্চে উপস্থিত থেকে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবেন।
তবে এই কর্মসূচি ঘিরে সোমবার রাত থেকেই তীব্র জটিলতা ও রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি হয়েছে। কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, নিরাপত্তার কারণে রানি রাসমণি রোডে এই ধর্ণা প্রদর্শন বা সভার কোনো রকম অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। এই কর্মসূচির বিকল্প হিসেবে পুলিশের তরফে ধর্মতলার ‘ওয়াই’ (Y) চ্যানেলে মাত্র ২ ঘণ্টার জন্য বসার একটি পাল্টা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তৃণমূল নেতৃত্ব পুলিশের এই প্রস্তাবকে পুরোপুরি অবাস্তব বলে মনে করছে এবং তা সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে।
পুলিশি নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েও নিজের অবস্থান থেকে একচুলও নড়তে নারাজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্টে তিনি পুলিশের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে চাঁছাছোলা ভাষায় নিজের অনড় মনোভাব স্পষ্ট করে দিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “কাল ধর্ণা হবেই। পুলিশ যেখানে আটকাবে, আমরা সেখানেই রাস্তায় বসে পড়ব।” তৃণমূল নেত্রীর এই হুঙ্কারের পর মঙ্গলবার কলকাতার রাজপথে বড়সড় সংঘাত ও উত্তেজনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
অ্যদিকে এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে এক হাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম না নিলেও, তাঁর নিশানায় ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের সাম্প্রতিক ‘জনরোষ’ ও বিক্ষোভের ঘটনাগুলি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “একটা উঠে যাওয়া পার্টি, ফলতায় চতুর্থ হওয়া দলের কাউকে এত গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই।”

