বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

ভারতবিরোধী কার্যকলাপে মায়ানমার ভূখণ্ড ব্যবহৃত হবে না, আশ্বাস 

প্রকাশিত: ২ জুন, ২০২৬
ভারতবিরোধী কার্যকলাপে মায়ানমার ভূখণ্ড ব্যবহৃত হবে না, আশ্বাস 
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে, এমন কোনো শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট আশ্বাস দিয়েছে মায়ানমার। সোমবার নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মায়ানমারের সেনাবাহিনী সমর্থিত সরকারের প্রেসিডেন্ট মিন আউং হ্লাইংয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করার ক্ষেত্রে এই বৈঠকটিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে পাঁচ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে এসেছেন মায়ানমারের প্রেসিডেন্ট তথা দেশটির প্রাক্তন সেনাপ্রধান মিন আউং হ্লাইং। প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারতে এটিই তাঁর প্রথম সরকারি সফর। সোমবারের এই দীর্ঘ বৈঠকে দুই দেশের সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, প্রতিরক্ষা এবং বাণিজ্য বৃদ্ধির মতো একাধিক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে ভারত মায়ানমারের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি নিজেদের পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। জবাবে মায়ানমারের প্রেসিডেন্টও ভারতের নিরাপত্তা স্বার্থ ক্ষুণ্ণ না করার বিষয়ে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দেন। 
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব বজায় রাখার জন্য মায়ানমারের সঙ্গে এই ১,৬৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। দুই নেতাই একমত হয়েছেন যে, সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় নাশকতা রুখতে এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে দুই দেশ একে অপরকে সাহায্য করবে। এর পাশাপাশি সাইবার অপরাধ এবং মানব পাচারের বিরুদ্ধেও যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 
কূটনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি এই সফরে রয়েছে সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক সংযোগও। নয়াদিল্লিতে মোদীর সঙ্গে বৈঠকের আগে মায়ানমারের প্রেসিডেন্ট বিহারের বৌদ্ধ তীর্থক্ষেত্র বুদ্ধগয়া সফর করেন। সেখানে তিনি ঐতিহাসিক মহাবোধি মন্দিরে প্রার্থনা করেন এবং সুজাতা মন্দির ও বার্মিজ মনাস্ট্রি ঘুরে দেখেন। বাণিজ্য ও শিল্পক্ষেত্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করতে তাঁর মুম্বাই যাওয়ারও কথা রয়েছে। ভারতের 'অ্যাক্ট ইস্ট' ও 'নেইবারহুড ফার্স্ট' নীতির অধীনে মায়ানমারের সঙ্গে এই বোঝাপড়া আগামী দিনে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।