বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

প্রাক্তন মন্ত্রীর ফ্ল্যাটে শ্লীলতাহানি, গ্রেপ্তার নিরাপত্তারক্ষী

প্রকাশিত: ২ জুন, ২০২৬
প্রাক্তন মন্ত্রীর ফ্ল্যাটে শ্লীলতাহানি, গ্রেপ্তার নিরাপত্তারক্ষী
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যের এক প্রাক্তন মন্ত্রীর ফ্ল্যাটে তাঁর বান্ধবী এবং পরিবারের এক নারী সদস্যকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন এক পুলিশকর্মী। ধৃত ব্যক্তি ওই প্রাক্তন মন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা রাজ্য পুলিশেরই একজন কর্মী। গত রবিবার দক্ষিণ কলকাতার একটি অভিজাত বহুতল আবাসন থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলকাতার রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার ওই অভিজাত বহুতলে প্রাক্তন মন্ত্রীর ফ্ল্যাটে কোনো কারণে অশান্তির সূত্রপাত হয়। অভিযোগ, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ওই পুলিশকর্মী আচমকাই প্রাক্তন মন্ত্রীর বান্ধবী এবং পরিবারের এক নারী সদস্যের ওপর চড়াও হন এবং তাঁদের শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এই ঘটনার পর তীব্র আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার পরেই রবীন্দ্র সরোবর থানায় বিষয়টি জানানো হয় এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে হেফাজতে নেয়। 
রাজ্য সশস্ত্র পুলিশের ওই কনস্টেবল গত কয়েক দিন ধরে ছুটি সংক্রান্ত নানা শর্ত দিতে শুরু করেছিলেন বলে অভিযোগকারিণীর দাবি। তাঁর কথায়, ওই কনস্টেবল বলছিলেন, তাঁকে মাসে ১৫ দিন করে ছুটি দিতে হবে। আমরা তাতে সম্মত না-হওয়ায় রবিবার তিনি ডিউটিতে থাকা সত্ত্বেও প্রাক্তন মন্ত্রীর সঙ্গে বেরোতে রাজি হননি। তার পরে বাড়িতে এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন।
তবে এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলেছেন খোদ অভিযোগকারিণী। তাঁর দাবি, ঘটনার ঠিক পরেই তাঁরা যখন থানায় যোগাযোগ করেন, তখন পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে চায়নি। বরং ‘পুরনো জমানার মতো’ পুরো ঘটনাটিকে ধামাচাপা দেওয়ার বা লঘু করে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে পুলিশের কাছ থেকে সঠিক সহযোগিতা না পেয়ে অসহায় বোধ করেন তাঁরা।
এরপর আর কোনো উপায় না দেখে অভিযোগকারিণী সরাসরি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ‘হেল্পলাইন’ নম্বরে ফোন করে পুরো বিষয়টি জানান। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে অভিযোগ পৌঁছাতেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। উপরমহলের কড়া নির্দেশের পরেই রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশ অত্যন্ত তৎপর হয়ে ওঠে এবং তড়িঘড়ি অভিযুক্ত পুলিশকর্মীকে গ্রেপ্তার করে। ধৃত পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগকারিনী বলেন, প্রশাসনের মাথায় সদিচ্ছাসম্পন্ন ব্যক্তি থাকলে কী হয়, মুখ্যমন্ত্রীর হেল্পলাইনে ফোন করেই আমি তা বুঝতে পেরেছি। সেখানে ফোন করার পরেই দ্রুত পদক্ষেপ করা হয়।