হট টপিক
অনুপ্রবেশকারীদের কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর, "জলদি জলদি ভাগো"
প্রকাশিত: ২৬ মে, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের পর গঠিত নতুন সরকারের প্রশাসনিক তৎপরতা এখন তুঙ্গে। মঙ্গলবার নদিয়ার কল্যাণীতে উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি এবং নদিয়া—এই তিন জেলাকে নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন পর্যালোচনা বৈঠক করেন রাজ্যের নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠক শেষেই এ রাজ্যের অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের উদ্দেশ্যে অত্যন্ত কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, "জলদি জলদি ভাগো... এই সরকার আগের মতো চলবে না।"
ভোটে জেতার পর থেকেই বিজেপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার অনুপ্রবেশ রুখতে 'জিরো টলারেন্স' নীতি নেওয়ার কথা জানিয়ে আসছিল। মঙ্গলবারের বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্য ক্যাবিনেটের প্রথম বৈঠকেই সীমান্ত সুরক্ষাকে নিশ্চিত করতে বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তরের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জমি দপ্তর ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় নথিপত্র গুছিয়ে ফেলেছে এবং আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে এই জমি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে বিএসএফ-এর কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর ফলে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ দ্রুত সম্পূর্ণ করা সম্ভব হবে। শুরু হয়েছে "ডিটেক্ট, ডিটেইন অ্যান্ড ডিপোর্ট"। রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলায় অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করতে ‘ডিটেক্ট, ডিটেইন অ্যান্ড ডিপোর্ট’ (চিহ্নিতকরণ, আটক ও বিতাড়ন) নীতি চালু করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই স্বরূপনগরের হাকিমপুর সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশকারীদের জন্য বিশেষ 'হোল্ডিং সেন্টার' বা আটক শিবির তৈরি করার ঘোষণা করা হয়েছে। প্রশাসনের এই কড়া পদক্ষেপের পর সীমান্ত এলাকাগুলোতে অবৈধভাবে বসবাসকারীদের মধ্যে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার হিড়িক দেখা যাচ্ছে। এ দিন সেই প্রসঙ্গ তুলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা প্রশ্ন করতেই শুভেন্দু বলেন, জলদি জলদি ভাগো। হাকিমপুরের ব্যাপারটা আমি টিভিতে দেখলাম। আমি শুধু একটাই কথা বলব, তাড়াতাড়ি পালাও, তাড়াতাড়ি পালাও। আমাদের দেশের মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থানের ভাগ আমরা ওদের কেন দিতে যাব?

