বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
সর্বশেষ খবর

সিকিমের টানেলে বিপর্যয়, ১০ শ্রমিকের মৃত্যু

প্রকাশিত: ২১ জুলাই, ২০২৬
সিকিমের টানেলে বিপর্যয়, ১০ শ্রমিকের মৃত্যু
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি, গ্যাংটক: সিকিমের নামচিতে এক ভয়াবহ টানেল দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ১০ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও বহু শ্রমিক আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালানো হলেও ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণে উদ্ধারকারীদের বেগ পেতে হচ্ছে। এই ঘটনায় তীব্র শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং।

প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নামচি জেলার সামারডুং এলাকায় তিস্তা স্টেজ-৬ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি নির্মীয়মাণ টানেলে সোমবার দুপুরে আচমকাই দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, টানেলের ভেতরে জমে থাকা মিথেন গ্যাসে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে এবং তার জেরেই ধস নেমে সুড়ঙ্গের মুখ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনার সময় ভেতরে বহু শ্রমিক কাজ করছিলেন। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (NDRF), রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (SDRF), সিকিম পুলিশ এবং দমকল যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
এনডিআরএফ (NDRF) সূত্রের খবর, মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত টানেলের ভেতর থেকে ১০টি মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। প্রশাসনের আশঙ্কা, সুড়ঙ্গের ভেতরে এখনও অন্তত ১৭ জন শ্রমিক আটকে রয়েছেন। তবে ভেতরে মিথেন গ্যাসের মাত্রা অত্যন্ত বেশি থাকায় উদ্ধারকারীরা চাইলেও দ্রুত সুড়ঙ্গের গভীরে পৌঁছাতে পারছেন না। প্রথম দফায় উদ্ধারকাজে নামা বেশ কয়েকজন কর্মী গ্যাসের চোটে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলেও খবর।
দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং। তিনি উদ্ধারকাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি আহতদের দ্রুত চিকিৎসার নির্দেশ দেন। এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফোনে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজ নেন। কেন্দ্র সরকারের পক্ষ থেকে সেনা ও বিশেষজ্ঞদের দল পাঠিয়ে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পটি ‘রান-অফ-দ্য-রিভার’ মডেলে তৈরি করা হচ্ছে, যা ২০২৯ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে এই মর্মান্তিক বিপর্যয়ের পর আপাতত প্রকল্পের কাজ স্থগিত রেখে আটকে থাকা শ্রমিকদের জীবিত উদ্ধার করাই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরও খবর