বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

মোদীর আমার বন্ধু, নয়াদিল্লিতে মার্কিন দূতাবাসের অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের সারপ্রাইজ ফোন

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬
মোদীর আমার বন্ধু, নয়াদিল্লিতে মার্কিন দূতাবাসের অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের সারপ্রাইজ ফোন
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: আমেরিকার ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে নয়াদিল্লির মার্কিন দূতাবাসে চলছিল এক জমকালো অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও। ঠিক তখনই সেখানে ঘটল এক অভাবনীয় ঘটনা। অনুষ্ঠান চলাকালীন আচমকাই বিদেশ সচিব রুবিওকে ফোন করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সেই ফোনেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতি নিজের গভীর ভালোবাসা এবং বন্ধুত্বের কথা প্রকাশ করলেন মার্কিন ডন। ভরা অনুষ্ঠানে ট্রাম্প স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘বড় ভক্ত’ এবং মোদী তাঁর অত্যন্ত প্রিয় বন্ধু।

নয়াদিল্লির এই বিশেষ অনুষ্ঠানে তখন উপস্থিত ছিলেন ভারত ও আমেরিকার বহু উচ্চপদস্থ কূটনীতিবিদ এবং বিশিষ্ট অতিথিরা। অনুষ্ঠান চলাকালীন মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও যখন একটি বিশাল জায়ান্ট স্ক্রিনের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন, ঠিক তখনই তাঁর মোবাইলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোন আসে। সঙ্গে সঙ্গে সেই ফোনালাপের লাইভ ছবি ও অডিও ভেসে ওঠে দূতাবাসের বড় পর্দায়। ট্রাম্প তাঁর বিদেশ সচিবের উদ্দেশ্যে বলেন, তুমি আমাদের দেশের প্রতিনিধি হিসেবে এই মুহূর্তে ভারতে সফরে গিয়েছ। আমি সেখান থেকে সবাইকে আমার শুভেচ্ছা জানাতে চাই। আমি নরেন্দ্র মোদীকে ভালোবাসি। মোদী সত্যিই মহান এবং তিনি আমার খুব ভালো বন্ধু। 
ট্রাম্পের এই আকস্মিক ফোন এবং নরেন্দ্র মোদীর ভূয়সী প্রশংসা শুনে করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে অনুষ্ঠান কক্ষ। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিওর এই ভারত সফর এবং সেখানে ট্রাম্পের এই বার্তা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, মাত্র কয়েকদিন আগেই আমেরিকার নতুন সরকার তাদের অভিবাসন নীতিতে বড়সড় পরিবর্তন এনেছে। নতুন এই কড়া নিয়মের জেরে আমেরিকায় বসবাসকারী বহু অনাবাসী ভারতীয়কে সাময়িকভাবে নিজেদের দেশে ফিরে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি, নিজেদের দেশ থেকে নতুন করে আমেরিকায় স্থায়ী বসবাসের জন্য গ্রিন কার্ডের আবেদন জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে। এই সিদ্ধান্তের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বহু ভারতীয় চাকুরিজীবী ও পড়ুয়াদের মধ্যে এক ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
আমেরিকার অভিবাসন নীতি নিয়ে যখন দুই দেশের মধ্যে এক ধরনের চাপা উত্তেজনা তৈরি হচ্ছিল, ঠিক তখনই ট্রাম্পের এই ‘মোদী বন্দনা’ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সমীকরণকে অনেকটাই সহজ করে দিল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ট্রাম্পের এই আন্তরিক বার্তা প্রমাণ করে যে, অভিবাসন নীতিতে কড়াকড়ি হলেও ভারতের সঙ্গে আমেরিকার কৌশলগত ও বাণিজ্যিক বন্ধুত্বে কোনো ফাটল ধরেনি। ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নরেন্দ্র মোদীর এই ব্যক্তিগত রসায়নকে কাজে লাগিয়ে আগামী দিনে ভারতীয় অনাবাসীদের ভিসা ও গ্রিন কার্ড সংক্রান্ত জটিলতাগুলি কতটা দ্রুত সমাধান করা যায়, সেটাই এখন সময়ের অপেক্ষা।