সর্বশেষ খবর
জয়ের রাতেও রক্তারক্তি, ভ্যাঙ্কুভারে রণক্ষেত্র
প্রকাশিত: ১৯ জুন, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর (FIFA World Cup 2026) আসরে মাঠের লড়াই ছাপিয়ে এবার শিরোনামে উঠে এল কুৎসিত বিবাদ এবং ভয়াবহ চোটের খবর। শুক্রবার ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে আয়োজক দেশ কানাডার দাপটের সামনে কাতার খড়কুটোর মতো উড়ে গেলেও, ম্যাচ শেষের বিশৃঙ্খলা সব আনন্দ মাটি করে দিল। কাতারকে ৬-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে কানাডা তাদের ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয় পেলেও, রেফারির শেষ বাঁশি বাজা মাত্রই মাঠ পরিণত হয় রণক্ষেত্রে।
ম্যাচের প্রথমার্ধ থেকেই কানাডার স্ট্রাইকার জোনাথন ডেভিডের অনবদ্য হ্যাটট্রিক এবং সাইল লারিনদের দাপটে ম্যাচটি সম্পূর্ণ একতরফা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু গোল উৎসবের মাঝেই খেলার দ্বিতীয়ার্ধে নেমে আসে অন্ধকার। ম্যাচের ৫২ মিনিটে কাতারের মিডফিল্ডার আসিম মাদিবো পেছন থেকে অত্যন্ত বিপজ্জনক এক ট্যাকল করেন কানাডার গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার ইসমাইল কোনেকে। মাঠের ধারেই থাকা কানাডার কোচ জেসি মার্শ জানান, হাড় ভাঙার ভয়াবহ আওয়াজ ডাগআউট পর্যন্ত শোনা গিয়েছিল। মারাত্মক চোট পেয়ে যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকা কোনেকে তড়িঘড়ি স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে এবং পরে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়।
এই জঘন্য ফাউলের জেরে ভিএআর (VAR) পর্যালোচনার পর কাতার ডিফেন্ডার মাদিবোকে সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেন রেফারি। প্রথমার্ধের ৩৩ মিনিটে হোমাম আহমেদ লাল কার্ড দেখার পর এটি ছিল কাতারের দ্বিতীয় লাল কার্ড, যার ফলে তারা ৯ জনের দলে পরিণত হয়। ম্যাচের এই চরম উত্তেজনা খেলা শেষের পরেও থামেনি। ৯০ মিনিটের পর খেলা শেষ হওয়ার বাঁশি বাজতেই দুই দলের ফুটবলার এবং কোচিং স্টাফরা একে অপরের সঙ্গে চরম হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন। কানাডার কোচ মার্শ পরে কাতারের ফুটবলারদের ও বেঞ্চের এই হিংস্র আচরণের তীব্র সমালোচনা করেন।

