বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
সর্বশেষ খবর

পানাগড় ও মানকরের মাঝে স্টেশনের দাবিতে স্মারক লিপি মুখ্যমন্ত্রীকে

প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর, ২০২৬
পানাগড় ও মানকরের মাঝে স্টেশনের দাবিতে স্মারক লিপি মুখ্যমন্ত্রীকে
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি, দুর্গাপুরঃ পূর্ব রেলের আসানসোল ডিভিশনের কোটা চন্ডিপুর এলাকায় হল্ট স্টেশনের দাবি জানিয়ে রাজের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের কাছে লিখিত স্মারকলিপি জমা দিলেন এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয়দের দাবি এর আগেও একাধিকবার আবেদনপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোন লাভ হয়নি। তবে রাজ্যে পরিবর্তনের পর তাঁদের আশা আবেদনপত্র খতিয়ে দেখা হবে। 

পানাগড় এবং মানকর স্টেশনের মধ্যে অবস্থিত কোটা চন্ডিপুর এলাকার বাসিন্দাদের স্টেশনের দাবি দীর্ঘদিনের। তাঁরা জানান, এই দাবি দীর্ঘদিনের। দুই দশক আগে স্টেশনের দাবিতে আসানসোল ডিআরএম অফিসে তিন দিন লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছিল। তখন রেল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিয়েছিল। কিন্তু তারপর আর কাজ এগোয়নি। পরে তৃণমূল আমলেও একাধিকবার বিষয়টি সরকারের নজরে নিয়ে এসেও কোন লাভ হয়নি। বিজেপি নেতা কিষান কর্মকার বলেন, এখন রাজ্যে বিজেপি সরকার এসেছে। কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ প্রয়াসে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। আমরা লিখিত স্মারকলিপি জমা দিয়েছি। এখানে হল্ট স্টেশন হলেও এর গুরুত্ব যথেষ্ট রয়েছে। এলাকায় রয়েছে শিল্পতালুক। সেখানে বহু মানুষ কাজ করতে আসেন। এখানে স্টেশন হলে বহু মানুষের উপকার হবে। তাছাড়া শ্যামসুন্দরপুর, বলরামপুর, পণ্ডালি সহ একাধিক গ্রামের বাসিন্দাদের ট্রেন ধরতে আর পানাগড় বা মানকর যেতে হবে না।

 এলাকার বাসিন্দা বাসুদেব আঁকুড়ে বলেন, আমাদের এখান থেকে মানকর বা পানাগড় যাওয়ার যোগাযোগ ব্যবস্থা সরাসরি কিছু নেই। উভয় ক্ষেত্রেই দূরত্ব প্রায় ছয় থেকে আট কিলোমিটার। রাতে ট্রেন থেকে নামলে এই স্বল্প দূরত্বের রাস্তা ২০০ থেকে ৩০০ টাকা টোটো ভাড়া দিয়ে বাড়ি ফিরতে হয়। দিনের বেলা এই দুটি স্টেশন যেতে হলে হয় বাইক না হলে টোটোর উপর নির্ভর করতে হয়। না হলে উনিশ নম্বর জাতীয় সড়কে গিয়ে বাসে পানাগড় গিয়ে ট্রেন ধরতে হয়। তিনি জানান, রেললাইনের পাশেই রয়েছে পানাগড় সেনা ছাওনি। এখানে হল্ট স্টেশন হলে বহু সৈনিক সরাসরি ট্রেন ধরতে পারবেন। 

কিষানবাবু বলেন, বিজেপি সরকার আসার পর এই প্রথম আবেদন পত্র দিয়েছি। মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে আশ্বাসও মিলেছে বিষয়টি দেখার। আমরা আশাবাদী মানবিক সরকার গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি দেখবে। এলাকার বাসিন্দা তথা সিপিএম নেতা কোহিনুর গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, এখানে স্টেশনের দাবি প্রায় ৪০ বছরের। বারোটিরও বেশি গ্রাম এবং শিল্পতালুকের শ্রমিকদের যাতায়াতে সুবিধা হবে। রেল স্টেশন হওয়া অবশ্যই দরকার। অবিলম্বে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার দাবি জানাচ্ছি। কংগ্রেস নেতা পূরব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, শিল্পতালুক হওয়ার পর থেকেই এলাকায় জনবসতি বাড়ছে। তাই মানুষের দুর্ভোগ কমাতে ওখানে অবশ্যই হল্ট স্টেশন দরকার। বর্ধমান আসানসোল লাইনে ঈশান চন্ডী হল্ট স্টেশন রয়েছে। এখানেও হল্ট স্টেশন করা হোক।

আরও খবর