বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
অবকাশ

২৩ বছরের যৌবন: আজন্ম বিপ্লবী ভগৎ

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট, ২০২৬
২৩ বছরের যৌবন: আজন্ম বিপ্লবী ভগৎ
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: পরাধীন ভারতের অন্ধকার আকাশে তিনি ছিলেন এক উজ্জ্বল ধূমকেতু, যাঁর ত্যাগের আলো আজও কোটি কোটি ভারতীয়কে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। অবিভক্ত পাঞ্জাবের লায়ালপুরের এক জাঠ পরিবারে ১৯০৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জন্ম হয়েছিল ভগৎ সিংয়ের। শৈশব থেকেই যাঁর ধমনিতে বইত স্বাধীনতার অদম্য আকাঙ্ক্ষা। কৈশোর পেরোনোর আগেই ঘর-সংসারের মায়া ত্যাগ করে তিনি নিজেকে সঁপে দিয়েছিলেন দেশমায়ের চরণে। নওজওয়ান ভারতসভা, কীর্তি কিষাণ পার্টি এবং হিন্দুস্তান সোশ্যালিস্ট রিপাবলিকান অ্যাসোসিয়েশনের মতো বৈপ্লবিক সংগঠনের প্রথম সারির নেতা হয়ে উঠেছিলেন এই তেজস্বী যুবক।

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে ভগতের লড়াই ছিল আপসহীন। ব্রিটিশ পুলিশের নির্মম লাঠিচার্জে প্রবীণ নেতা লালা লাজপত রায়ের মৃত্যুর পর ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন বিপ্লবীরা। সেই অন্যায়ের মোক্ষম প্রতিশোধ নিতে ব্রিটিশ পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট মিস্টার স্যান্ডার্সকে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে হত্যা করেন ভগৎ ও তাঁর সঙ্গীরা। কিন্তু শুধু বুলেটের লড়াই নয়, বধির ব্রিটিশ সরকারের কানে আমজনতার আওয়াজ পৌঁছে দিতে ১৯২৯ সালের ৮ এপ্রিল সহযোদ্ধা বটুকেশ্বর দত্তকে সঙ্গে নিয়ে দিল্লির সেন্ট্রাল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলিতে (পার্লামেন্টে) বোমা নিক্ষেপ করেন তিনি। উদ্দেশ্য কাউকে হত্যা করা ছিল না, ছিল ইনকিলাব জিন্দাবাদ ধ্বনিতে সাম্রাজ্যবাদের ভিত নাড়িয়ে দেওয়া।
গ্রেপ্তার হওয়ার পর জেলের ভেতরেও ব্রিটিশদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ অনশন চালিয়ে যান ভগৎ। অবশেষে স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের রায়ে ১৯৩১ সালের ২৩ মার্চ লাহোর সেন্ট্রাল জেলে মাত্র ২৩ বছর বয়সে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এই মহান বিপ্লবীকে। কিন্তু মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েও তাঁর চোখে ভয় ছিল না, ছিল হাসিমুখ। আজ শ্রাবণের শেষে প্রগতির আলোয় দাঁড়িয়ে দেশবাসী শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে ফাঁসির মঞ্চে জীবনের জয়গান গাওয়া সেই বীর শহিদকে।

আরও অবকাশ খবর