বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
রাজ্য

২১ জুলাইয়ের রিপোর্ট ধামাচাপা কেন? মমতাকে প্রশ্ন ঋতব্রতর

প্রকাশিত: ২১ জুলাই, ২০২৬
২১ জুলাইয়ের রিপোর্ট ধামাচাপা কেন? মমতাকে প্রশ্ন ঋতব্রতর
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২১ জুলাইয়ের তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট কেন এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ঠান্ডা ঘরে ফেলে রাখা হলো, তা নিয়ে সরাসরি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে আঙুল তুললেন তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার মেয়ো রোডে দলের সমান্তরাল শহিদ সমাবেশের মঞ্চ থেকে এই নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। গতকালই রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় এই তদন্ত রিপোর্টটি প্রকাশ্যে এনেছেন। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই ইস্যুতে প্রাক্তন তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে 'ভাবের ঘরে চুরি'র মারাত্মক অভিযোগ তুলল তাঁরই দলের বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠী।

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় মেয়ো রোডের সভা থেকে প্রশ্ন তোলেন, “সম্মান জানিয়েই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে স্পষ্ট জিজ্ঞাসা করতে চাই, কেন এই রিপোর্ট এতদিন ধামাচাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল? কাদের আড়াল করার চেষ্টা চলছিল?” মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পেশ করা রিপোর্টের তথ্য উদ্ধৃত করে ঋতব্রত বলেন, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের কমিশন ১৯৯৩ সালের পুলিশের গুলি চালনাকে ‘অপ্রয়োজনীয় এবং প্ররোচনামূলক’ বলেছিল। পাশাপাশি নিহতদের পরিবারকে ২৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল। অথচ মমতার তৎকালীন সরকার নিহতদের মাত্র ২ লক্ষ এবং আহতদের ১৫ হাজার টাকা দিয়ে দায় সেরেছে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, প্রতি বছর ২১ জুলাইকে ‘শহিদ দিবস’ হিসেবে পালন করে তৃণমূল রাজনৈতিক ফায়দা তুললেও, খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারই যে এই তদন্ত রিপোর্টকে ধামাচাপা দিয়ে রেখেছিল, তা এখন স্পষ্ট। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছেন, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রসচিব তথা পরে মমতার মন্ত্রিসভার সদস্য মণীশ গুপ্তকে বাঁচাতেই এই রিপোর্ট বিধানসভায় পেশ করা হয়নি। আজ সেই সূত্র ধরেই মেয়ো রোডের মঞ্চ থেকে সুর চড়ালেন ঋতব্রত। শহিদদের নাম করে আবেগের রাজনীতি করা হলেও তাঁদের প্রকৃত বিচার যে দেওয়া হয়নি, বিদ্রোহী শিবিরের এই আক্রমণাত্বক অবস্থান তা আরও একবার প্রমাণ করল।

আরও রাজ্য খবর