বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
রাজ্য

জলপাইগুড়িতে জারি হাই-অ্যালার্ট, চালু ‘ফিভার ক্লিনিক’

প্রকাশিত: ৯ জুলাই, ২০২৬
জলপাইগুড়িতে জারি হাই-অ্যালার্ট, চালু ‘ফিভার ক্লিনিক’
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: বর্ষার মরশুম শুরু হতেই জলপাইগুড়ি জেলায় থাবা বসাতে শুরু করেছে মশা ও পতঙ্গবাহিত নানা মারাত্মক রোগ। জেলাজুড়ে একদিকে যেমন হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের গ্রাফ, তেমনই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে স্ক্রাব টাইফাস এবং লেপটোস্পাইরা।

 এমনকি মরণোত্তর রোগ জাপানি এনসেফ্যালাইটিসের হদিসও মিলেছে জেলায়। একের পর এক ব্লকে জ্বরের প্রকোপ বাড়তেই আর কোনো ঝুঁকি না নিয়ে গোটা জেলাজুড়ে হাই-অ্যালার্ট বা প্রয়োজনীয় জরুরি সতর্কতা জারি করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। 

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, চলতি বছরে জেলায় এখনও পর্যন্ত মশাবাহিত এবং পতঙ্গবাহিত রোগের পরিসংখ্যান যথেষ্ট আশঙ্কাজনক। স্ক্রাব টাইফাস: আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, অন্তত ৫৯ জন। 
ডেঙ্গি ও লেপটোস্পাইরা: দুই রোগেই আক্রান্ত হয়েছেন সমান সংখ্যক মানুষ, অন্তত ৫১ জন করে। ম্যালেরিয়া: এই চেনা রোগে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে অন্তত ২১ জন। 
জাপানি এনসেফ্যালাইটিস: অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন অন্তত ৬ জন। চিকনগুনিয়া: এই ভাইরাসে আক্রান্তের হদিস মিলেছে অন্তত ৪ জনের শরীরে। 
সংক্রমণের এই বাড়বাড়ন্ত রুখতে তড়িঘড়ি ময়দানে নেমেছে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতর। সংশ্লিষ্ট পুরসভা ও পঞ্চায়েত প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়া প্রতিরোধী মশক নিধন তেল স্প্রে করা, জমা জল পরিষ্কার এবং ব্লিচিং পাউডার ছড়ানোর মতো কাজ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, রোগ নিয়ে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে জোরকদমে প্রচার চালানো হচ্ছে। 
আমজনতার সুবিধার্থে জেলার সমস্ত সরকারি হাসপাতালগুলিতে বিশেষ ‘ফিভার ক্লিনিক’ (Fever Clinic) চালু করার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। কোনো ব্লকে বা এলাকায় জ্বরের প্রকোপ দেখা দিলেই সেখান থেকে দ্রুত তথ্য সংগ্রহ করা এবং রক্তের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিখরচায় করানোর বন্দোবস্ত করা হচ্ছে।

 চিকিৎসকদের স্পষ্ট পরামর্শ— দু'দিনের বেশি জ্বর থাকলে কোনোভাবেই যেন অবহেলা না করে নিকটবর্তী হাসপাতালে গিয়ে রক্ত পরীক্ষা করানো হয়।

আরও রাজ্য খবর