বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
রাজ্য

মমতার বাড়িতে বৈঠকের মাঝেই তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডা কুণাল-অভিষেকের!

প্রকাশিত: ১৪ জুন, ২০২৬
মমতার বাড়িতে বৈঠকের মাঝেই তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডা কুণাল-অভিষেকের!
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে আয়োজিত তৃণমূলের কর্ম সমিতির বৈঠকে বেনজির পরিস্থিতির সৃষ্টি হল। দলীয় সূত্রের খবর, বৈঠকের মধ্যেই তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের নেতা কুণাল ঘোষ। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, শেষ পর্যন্ত খোদ দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হস্তক্ষেপ করতে হয়।

শনিবার কালীঘাটে তৃণমূলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণ কমিটি তথা কর্ম সমিতির এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি ডাকা হয়েছিল। সূত্রের খবর, দলের সাম্প্রতিক সাংগঠনিক রদবদল এবং অভ্যন্তরীণ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনার সময়ই এই সংঘাতের সূত্রপাত ঘটে। বৈঠকে কুণাল ঘোষ অত্যন্ত জোরের সঙ্গে দাবি তোলেন, সংগঠনের কয়েকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দলকে অতি দ্রুত এবং অবিলম্বে পদক্ষেপ করতে হবে।
তবে কুণালের এই 'তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের' দাবিতে এই মুহূর্তে সায় দিতে রাজি হননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই বিষয়ে একটি কিছুটা 'সময়সাপেক্ষ ফর্মুলা' দেন এবং বিষয়টি পরে খতিয়ে দেখার কথা বলেন।
 অভিষেকের এই অবস্থানে কুণাল ঘোষ সরাসরি তাঁকে চ্যালেঞ্জ করে বসেন । দলীয় সূত্রের খবর, অভিষেক তখন কুণালের উদ্দেশে প্রশ্ন তোলেন যে, তিনি কেন সংবাদমাধ্যমের সামনে অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে বিরূপ মন্তব্য বা সমালোচনা করেছেন। জবাবে কুণাল সরাসরি জানিয়ে দেন, তিনি একশো শতাংশ সত্যি কথা বলেছেন। কারণ সুমিত রায় দলের কেউ নন এবং তাঁর পক্ষে কোনোভাবেই সুমিত রায়ের মতো কারও অবস্থানকে দলের হয়ে সমর্থন বা ডিফেন্ড করা সম্ভব নয়। কুণাল আরও স্পষ্ট করেন যে, তিনি দলের নীতি নিয়ে কথা বলেছেন, অভিষেকের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত কোনো বিরূপ মন্তব্য করেননি। পাল্টাপাল্টি যুক্তি ও উচ্চস্বরে কথা কাটাকাটিতে ঘরের পরিবেশ রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যার আওয়াজ বাইরে থেকেও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছিল।
কালীঘাটের ঘরের ভেতরে দুই শীর্ষ নেতার এই মুখোমুখি সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হতেই তড়িঘড়ি মাঠে নামেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নিজের আসন ছেড়ে উঠে এসে অভিষেক ও কুণাল— উভয়কেই শান্ত করার চেষ্টা করেন। সবাইকে সংযত থাকার এবং মাথা ঠান্ডা রেখে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একসঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দেন দলনেত্রী। পরিস্থিতি সামাল দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি এগিয়ে আসেন দলের আরেক প্রবীণ নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তবে তৃণমূলের অন্দরের এই নজিরবিহীন তরজা নিয়ে এখনও পর্যন্ত দলের তরফে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।