বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
রাজ্য

মায়াপুর এবার ‘নোটিফায়েড এলাকা’, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

প্রকাশিত: ১৭ জুলাই, ২০২৬
মায়াপুর এবার ‘নোটিফায়েড এলাকা’, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: মায়াপুরকে কেন্দ্র করে বড়সড় প্রশাসনিক ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার কলকাতায় ইসকনের রথযাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে এসে তিনি জানান, পুণ্যভূমি মায়াপুর এবার পেতে চলেছে ‘নোটিফায়েড এরিয়া অথরিটি’র মর্যাদা। এই বিশেষ ঘোষণার পাশাপাশি মায়াপুরের সঙ্গে তাঁর বহু বছরের আত্মিক যোগাযোগের কথাও আবেগঘন কণ্ঠে তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার আলবার্ট রোডের ইসকন মন্দিরে মহাসমারোহে আয়োজিত ৫৫তম রথযাত্রা উৎসবের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি জগন্নাথ দেবের আরতি এবং রথের রশি টানার মতো মাঙ্গলিক আচার সম্পন্ন করেন। এরপর ভক্ত সমাগমের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মায়াপুরের এই নতুন প্রশাসনিক রূপান্তরের কথা ঘোষণা করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, "মায়াপুর খুব শীঘ্রই ‘নোটিফায়েড এরিয়া অথরিটি’ হতে চলেছে।" এই পদক্ষেপের ফলে মায়াপুরের পরিকাঠামো এবং সার্বিক উন্নয়ন আরও গতি পাবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
প্রশাসনিক এই ঘোষণার পাশাপাশি এদিন একেবারেই এক অন্য মেজাজে ধরা দেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। তাঁর কথায় উঠে আসে পুরোনো স্মৃতির কোলাজ। মুখ্যমন্ত্রী জানান, "আসন্ন ৯ দিনের রথযাত্রার মধ্যে যেকোনোও একটি দিন আমি মায়াপুরে যাব।" তবে সেই সফর যে কোনও রাজনৈতিক বা সরকারি কর্মসূচির অংশ নয়, তাও সাফ করে দিয়েছেন তিনি। শুভেন্দুর সংযোজন, "কোনও দলীয় বা প্রশাসনিক কর্মসূচি নিয়ে নয়, আমি মায়াপুরে যাব খাঁটি ভক্ত হিসেবে, সেখানকার কীর্তনে অংশ নিতে।"
পুরোনো দিনের স্মৃতি রোমন্থন করে তিনি আবেগজড়িত কণ্ঠে বলেন, "এখানকার বহু প্রভুর সঙ্গে আমার ২০-২৫ বছরের গভীর সম্পর্ক। তাঁদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিগত বছরগুলিতে জন্মাষ্ঠমী, দোল উৎসব, অন্নকূট কিংবা গোবর্ধন পূজার মতো পুণ্য তিথিগুলিতে মহানাম কীর্তন করেছি।" বর্তমান ব্যস্ত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক জীবনের মাঝেও যে তিনি এই আধ্যাত্মিক টান ভুলে যাননি, এদিনের বার্তা তারই প্রমাণ দেয়।
বক্তব্য শেষে উপস্থিত ভক্ত এবং ইসকন কর্তৃপক্ষের বিশেষ অনুরোধে মেতে ওঠেন সুরের ছন্দে। মঞ্চেই খালি গলায় গেয়ে ওঠেন এক লাইনের একটি সুমধুর কীর্তন। মুখ্যমন্ত্রীর কণ্ঠে কীর্তনের সুর ধ্বনিত হতেই উদ্বেলিত হয়ে ওঠেন উপস্থিত কয়েক হাজার ভক্ত। করতালির শব্দে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা চত্বর। রথের পুণ্যলগ্নে মুখ্যমন্ত্রীর এই ভিন্ন মেজাজ এবং মায়াপুরকে নিয়ে বড় ঘোষণা স্বাভাবিকভাবেই এক নতুন মাত্রা যোগ করল।