বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
বিদেশ

আমেরিকা বিশ্বকাপ জিতলেই চাঁদে যাবে ফুটবল!

প্রকাশিত: ৪ জুলাই, ২০২৬
আমেরিকা বিশ্বকাপ জিতলেই চাঁদে যাবে ফুটবল!
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: মাঠের ‘খেলা হবে’ স্লোগান এবার আছড়ে পড়তে চলেছে সুদূর চাঁদের মাটিতেও! বিশ্বজুড়ে চলতি ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই এক নজিরবিহীন ও রোমাঞ্চকর ঘোষণা করল বিশ্বের বৃহত্তম মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। তবে এই উপহারের পেছনে রয়েছে একটি বড় শর্ত। যদি আমেরিকার পুরুষ জাতীয় ফুটবল দল এবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে পারে, তবেই এই মেগা সেলিব্রেশনের সাক্ষী থাকবে বিশ্ববাসী। নাসা জানিয়েছে, আমেরিকা সোনালী ট্রফি ঘরে তুললে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল ফুটবল ‘ট্রাইওন্ডা’ (Trionda)-কে বিশেষ রকেটে করে সরাসরি চাঁদে পাঠানো হবে।মহাকাশ বিজ্ঞান এবং ফুটবলপ্রেমীদের এই মেলবন্ধন ঘিরে ইতিমিধ্যেই বিশ্বজুড়ে হইচই পড়ে গিয়েছে। নাসার বর্তমান প্রধান জ্যারেড আইজ্যাকম্যান সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে মার্কিন ফুটবলারদের উৎসাহিত করে এই মহাজাগতিক চ্যালেঞ্জের কথা জানান। 

তিনি স্পষ্ট বলেন, “আমেরিকান দল, তোমরা মাঠে নিজেদের সেরাটা দিয়ে কাপ জিতে দেখাও, বাকিটা আমরা দেখে নেব।” মার্কিন দলটির জন্য এটি যে এক বিরাট মনস্তাত্ত্বিক বুস্টার, তা বলাই বাহুল্য। নাসা জানিয়েছে, আমেরিকার জয়রথ যদি ফাইনাল পর্যন্ত অক্ষুণ্ণ থাকে এবং তারা চ্যাম্পিয়ন হয়, তবে ভবিষ্যতের একটি লুনার পেলোড বা চন্দ্রাভিযান মিশনের রোবোটিক মহাকাশযানের মাধ্যমে এই বিশেষ ফুটবলটিকে চাঁদের পৃষ্ঠে পাঠানো হবে। এর সঙ্গে থাকবে খেলোয়াড়দের সই করা একটি জার্সিও।

অবশ্য এই প্রথম নয়, ২০২৬ বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল ‘ট্রাইওন্ডা’ ইতিমধ্যেই একবার পৃথিবীর গণ্ডি পেরিয়ে মহাকাশের স্বাদ পেয়ে এসেছে। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগেই বিশেষ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার অংশ হিসেবে বলটিকে পাঠানো হয়েছিল আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (ISS)। সেখানে মহাকাশচারীরা শূন্য অভিকর্ষ বা মাইক্রোগ্রাভিটি পরিবেশে বলটি নিয়ে ড্রিবলিং ও নানা কসরত করেছিলেন। স্পোর্টস ইঞ্জিনিয়াররা মূলত দেখতে চেয়েছিলেন, শূন্য মাধ্যাকর্ষণে বলের ভরকেন্দ্র (Center of Mass) এবং ভারসাম্য কেমন থাকে। মহাকাশ স্টেশন ঘুরে আসার পর এবার যদি মার্কিন ফুটবল দল অসাধ্যসাধন করতে পারে, তবে ‘ট্রাইওন্ডা’র পরবর্তী ঠিকানা হবে সরাসরি চাঁদের মাটি।নাসার চন্দ্রঘাঁটি প্রকল্পের প্রোগ্রাম ম্যানেজার কার্লোস গার্সিয়া-গালান রসিকতা করে বলেন, “ফুটবলটি ওজনে অত্যন্ত হালকা, তাই মহাকাশযানের ভেতরে জায়গা বের করতে আমাদের কোনো সমস্যাই হবে না। তবে ফুটবলারদের জন্য কাপ জেতার রাস্তাটা মোটেও সহজ নয়।”

 ১৯৭১ সালের অ্যাপোলো ১৪ মিশনে নভোচারী অ্যালান শেপার্ড চাঁদের মাটিতে গলফ খেলে ইতিহাস গড়েছিলেন। নাসা এবার সেই ইতিহাসকে একধাপ ছাপিয়ে যেতে চায়। এখন দেখার, নাসার দেওয়া এই অভিনব ‘লুনার মোটিভেশন’ সঙ্গে নিয়ে আমেরিকার ফুটবল দল বিশ্বজয়ের ইতিহাস গড়তে পারে কি না।

আরও বিদেশ খবর