বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
জেলা

১২ কোটির রাস্তার কাজ থমকে মাঝপথেই, চরম ক্ষোভ গলসির এই গ্রামবাসীদের

প্রকাশিত: ১১ জুলাই, ২০২৬
১২ কোটির রাস্তার কাজ থমকে মাঝপথেই, চরম ক্ষোভ গলসির এই গ্রামবাসীদের
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: বিধানসভা ভোটের আগে ঘটা করে শুরু হয়েছিল কাজ। কিন্তু ভোট মিটতেই যেন উবে গেল সেই তৎপরতা! প্রায় ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ গলসির আস্করণ মোড় থেকে হলদি যাওয়ার রাস্তার কাজ মাঝপথেই থমকে যাওয়ায় এখন ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকার হাজার হাজার বাসিন্দা। বর্ষা নামতেই রাস্তা জুড়ে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত, আর তাতে জল-কাদা জমে যাতায়াত করাই দায় হয়ে পড়েছে। ব্যবসায়ী থেকে স্কুল-কলেজের পড়ুয়া, প্রত্যেকেই প্রতিদিন চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার ওপর বাহিরঘন্ন্যা, কুরকুবা, জয়কৃষ্ণপুর, পিলগ্রাম, চান্না-সহ একাধিক গ্রামের মানুষ পুরোপুরি নির্ভরশীল। তাঁদের দীর্ঘদিনের দাবির কথা মাথায় রেখে এসআরডিএ-র (SRDA) উদ্যোগে এবং প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার অধীনে প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে এই রাস্তা তৈরির কাজ শুরু হয়। কিন্তু কাজ কিছুটা এগোতেই হঠাৎ তা বন্ধ হয়ে যায়। রাস্তা সংস্কারের দাবিতে সরব হয়েও জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে শুধু আশ্বাসই মিলেছে বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের।

রাস্তার কাজ বন্ধের কারণ প্রসঙ্গে গলসির বিধায়ক রাজু পাত্র অবশ্য চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। তাঁর দাবি, রাস্তার কাজের সময় রাস্তার ধারের গাছ কাটা নিয়ে বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। সেই দুর্নীতির বিষয়টি বর্তমানে তদন্তসাপেক্ষ। বিধায়ক বলেন, "আমরা সেই দুর্নীতির প্রমাণের অপেক্ষায় আছি। দুর্নীতির কারণেই মূল কাজ শুরু হতে দেরি হচ্ছে। তবে আপাতত রাস্তার পাশগুলো মেরামত করে যাতে কোনোমতে যাতায়াত করা যায়, সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কাজটা দ্রুত শুরু হলে সাধারণ মানুষের উপকার হবে।"

এদিকে এই অচলাবস্থা নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধী শিবিরও। সিপিএম নেতা সফিউল হক তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার কাজ আটকে রয়েছে, কাজের কোনো গতি নেই। এলাকার মানুষজন চূড়ান্ত ক্ষুব্ধ। আমরা অবিলম্বে এই বিষয়ে প্রশাসনের সরাসরি হস্তক্ষেপ দাবি করছি।" 

অন্যদিকে, এই থমকে থাকা কাজ নিয়ে এসআরডিএ-র এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, তিনি "গাড়িতে আছি" বলে ফোন কেটে দেন, যা নিয়ে ক্ষোভ আরও বেড়েছে।

আরও জেলা খবর