বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

টাকা তুলতে বিয়ে, জইশ জঙ্গি হামিমের নেপথ্যে ‘ছায়া’ বান্ধবী অর্পিতা

প্রকাশিত: ২ আগস্ট, ২০২৬
টাকা তুলতে বিয়ে, জইশ জঙ্গি হামিমের নেপথ্যে ‘ছায়া’ বান্ধবী অর্পিতা
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব সংবাদদাতা, বর্ধমান: দেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্দিরে নাশকতার ছক কষেছিল আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ। আর সেই ভয়াবহ ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে এ রাজ্য থেকেই জাল বুনেছিল ধৃত জঙ্গি হামিম মণ্ডল। তবে এই বিপজ্জনক অভিযানে হামিম একা ছিল না। গোয়েন্দাদের দাবি, ছায়ার মতো তার পাশে থেকে নিখুঁত পরিকল্পনায় সাহায্য করত তার বান্ধবী অর্পিতা সরকার। রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)-এর জালে অর্পিতা ধরা পড়তেই এখন এই বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসছে।
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, একে অপরের সহযোগী হতেই এক অভিনব চাল চেলেছিল এই যুগল। একসঙ্গে কাজ করার এবং নিজেদের পরিচয় গোপন রাখার সুবিধার্থে তারা ঘটা করে বিয়ে বা ‘এনগেজমেন্ট’ সেরে ফেলেছিল। ছদ্মবেশে ছক কষতে গত বছর তারা দুজনে দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র দীঘায় ঘুরেও আসে। সেখানে বসেই মূলত জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য ‘ফান্ড’ বা অর্থ জোগাড়ের ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করা হয়। ধৃতদের জেরা করে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ফাঁদে ফেলে তোলাবাজি এবং ব্ল্যাকমেলিংয়ের মাধ্যমে সংগৃহীত এই বিপুল টাকাতেই কেনা হতো আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং মারাত্মক বিস্ফোরক।

তদন্তে নেমে এসটিএফ আধিকারিকরা আরও জানতে পেরেছেন, এই জঙ্গি চক্রের শিকড় ছড়িয়ে রয়েছে সরাসরি সীমান্তের ওপারে, পাকিস্তানে। পাকিস্তানের কুখ্যাত ‘সাহজাদ ভাট্টি গ্যাং’ এই যুগলকে ভারী অস্ত্রশস্ত্র এবং রসদ সরবরাহ করার পাকা আশ্বাস দিয়েছিল। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই (ISI)-এর দুই হ্যান্ডলার আবিদ জাট এবং হামিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত হামিম। এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে ওপার থেকে আসত নাশকতার একের পর এক নির্দেশ। এ দেশে বড়সড় রক্তবন্যা বইয়ে দেওয়ার আগেই গোয়েন্দাদের তৎপরতায় ভেস্তে গেল জইশের সেই ছক। ধৃত অর্পিতাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জইশ-জালের বাকি পান্ডাদের খোঁজে তল্লাশি আরও জোরদার করেছেন তদন্তকারীরা।