বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

বিএমএস নেতার বাইকের হাওয়া খোলায় কাঁকসায় ধুন্ধুমার বিজেপি বিক্ষোভ

প্রকাশিত: ৯ আগস্ট, ২০২৬
বিএমএস নেতার বাইকের হাওয়া খোলায় কাঁকসায় ধুন্ধুমার বিজেপি বিক্ষোভ
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি, দুর্গাপুর: নো পার্কিংয়ে বাইক রাখার ‘শাস্তি’ হিসেবে চাকার হাওয়া খুলে দিল নিরাপত্তা রক্ষীরা! আর তার জেরে মুমূর্ষু রোগীর জন্য রক্ত এনে পৌঁছতে দেরি হয়ে গেল প্রায় এক ঘণ্টা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়াল কাঁকসার মলানদিঘির একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল চত্বরে। হাসপাতালে ‘বাউন্সার রাজ’ এবং দাদাগিরির অভিযোগ তুলে হাসপাতালের মূল গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখালেন বিজেপি কর্মীরা। আক্রান্ত প্রকাশ প্রসাদ ভারতীয় মজদুর সঙ্ঘের (বিএমএস) নেতা। এই ঘটনার জেরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় শিল্পাঞ্চলে।

ভুক্তভোগী বিএমএস নেতা প্রকাশ প্রসাদ জানিয়েছেন, মলানদিঘির ওই বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর এক আত্মীয় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রোগীর জন্য জরুরি ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন ছিল। রবিবার সকালে দুর্গাপুরের সরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত আনতে যাওয়ার জন্য তিনি যখন হাসপাতাল চত্বরে রাখা নিজের মোটরবাইকটির কাছে যান, তখন দেখেন চাকার হাওয়া কেউ বা কারা সম্পূর্ণ খুলে দিয়েছে। এই বিষয়ে কর্তব্যরত নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে কারণ জানতে চাইলে তাঁরা সাফ জানান, বাইকটি ‘নো পার্কিং’ এলাকায় রাখা ছিল। প্রকাশের অভিযোগ, হাওয়া খুলে দেওয়ার কারণে রক্ত নিয়ে আসতে তাঁর প্রায় এক ঘণ্টা দেরি হয়ে যায়, যা একজন মুমূর্ষু রোগীর ক্ষেত্রে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।এই ঘটনার খবর জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। হাসপাতালের সামনে জড়ো হয়ে তাঁরা তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। বিজেপির দুর্গাপুর পূর্ব ৪ নম্বর মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ দাসের অভিযোগ, ‘‘এই বেসরকারি হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে বাউন্সারদের দাদাগিরি চলছে। সাধারণ মানুষের সাথে অভব্য আচরণ করা হচ্ছে। অবিলম্বে এর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আমরা আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।’’ পরিস্থিতি বেগতিক দেখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা করে। হাসপাতালের অতিরিক্ত মেডিক্যাল সুপার রাজর্ষি গুপ্ত বলেন, ‘‘ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। যিনি বা যাঁরা এই কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে। তবে বিষয়টি জানার পরই রোগীকে সাহায্য করার জন্য আমরা নিজস্ব অ্যাম্বুল্যান্স পাঠিয়ে রক্ত এনে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলাম।’’