বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

রাঁচিতে পাকচর অর্পিতার আরও এক বয়ফ্রেন্ড

প্রকাশিত: ৭ আগস্ট, ২০২৬
রাঁচিতে পাকচর অর্পিতার আরও এক বয়ফ্রেন্ড
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে পাকিস্তানি গুপ্তচর অর্পিতার আরও এক বয়ফ্রেন্ডের হদিশ পেল রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)। অভিযুক্ত ওই যুবককে ইতিমধ্যেই আটক করে ম্যারাথন জেরা শুরু করেছেন তদন্তকারীরা। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, রাঁচির বাসিন্দা এই কলেজ পড়ুয়ার কাঁধেই ঝাড়খণ্ডে জঙ্গি মডিউল গড়ে তোলার মূল দায়িত্ব তুলে দিয়েছিল ধৃত পাক এজেন্টের প্রেমিকা অর্পিতা।

তদন্তে জানা গিয়েছে, একটি বিশেষ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে কুখ্যাত পাকিস্তানি হ্যান্ডলার শাহাজাদ ভাট্টির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সাগরেদ রানার সঙ্গে ওই যুবকের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল অর্পিতা। সম্প্রতি তিন পাকচর গ্রেফতার হওয়ার পরই প্রমাণ লোপাটের মরিয়া চেষ্টা চালায় রাঁচির ওই যুবক। তড়িঘড়ি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল তথ্য ও চ্যাট ডিলিট করে দেয় সে। গোয়েন্দারা এখন সেই সমস্ত তথ্য পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছেন।
ধৃতদের মোবাইল ঘেঁটে বিস্ফোরক তথ্য পেয়েছেন এসটিএফ আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, কোনও রকম সিমকার্ড ছাড়াই সম্পূর্ণ ইন্টারনেট-নির্ভর তিন থেকে চারটি বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত এই চক্রের সদস্যরা। পশ্চিমবঙ্গ, বিহার এবং ঝাড়খণ্ড জুড়ে জাল বিছিয়েছিল এই ভাট্টি গ্যাং। এদের মূল লক্ষ্যই ছিল ২৫ বছরের কম বয়সী উচ্চশিক্ষিত ও স্মার্ট যুবক-যুবতীদের নিজেদের দলে টানা।
এই মগজ ধোলাইয়ের নেপথ্যে ছিল অর্পিতার বন্ধু হামিম মণ্ডল। প্রযুক্তিতে অত্যন্ত পারদর্শী হামিম খুব সহজেই তরুণদের বিভ্রান্ত করে দলে টানত। এই চক্রের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল বড়সড় তহবিল বা ফান্ড জোগাড় করা। যার জন্য বাংলা ও ঝাড়খণ্ডের ধনী ব্যক্তিদের টার্গেট করে টাকা আদায় করা হতো। সম্প্রতি সাহেবগঞ্জের একটি পর্যটনকেন্দ্রে ভিডিও শুটের নাম করে অর্পিতা ও তার রাঁচির বয়ফ্রেন্ড গোপন বৈঠকও সেরেছিল। আটক যুবকের সমস্ত নথি খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ করছে এসটিএফ।