সর্বশেষ খবর
গুজরাটে এনকাউন্টার, নিহত শিশুহত্যাকারী
প্রকাশিত: ২০ জুলাই, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি: পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুরের পর এবার এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটল গুজরাটে। আনন্দ জেলায় সাড়ে চার বছরের এক শিশুকে অপহরণ, ধর্ষণ ও খুনের মূল অভিযুক্ত সুরেশ পার্মার পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার গভীর রাতে আসোদর ও কাঁথারিয়ার মধ্যবর্তী একটি সেতুর কাছে। ধৃতকে যখন পুলিশের গাড়িতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন সে বমি করার অজুহাতে গাড়ি থামাতে বলে এবং লুকিয়ে রাখা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আচমকা পুলিশ কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে ভাসাদ রেল স্টেশনে মা-বাবার সঙ্গে ঘুমাচ্ছিল ওই শিশুটি। রবিবার ভোরে স্টেশন সংলগ্ন রেল লাইনের ওপর থেকে তার ক্ষতবিক্ষত নিথর দেহ উদ্ধার হয়। এর পরেই তদন্তে নামে রেলওয়ে পুলিশ, আনন্দ জেলা পুলিশ, লোকাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ (এলসিবি) এবং ভাসাদ পুলিশের একাধিক বিশেষ দল। স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ জানতে পারে, বরসাদ শহরের বাসিন্দা সুরেশ পার্মার নামের এক ব্যক্তি প্ল্যাটফর্ম থেকে ঘুমন্ত শিশুটিকে তুলে নিয়ে চম্পট দিয়েছিল।
অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার পর রবিবার রাতে যখন লোকাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের দল তাকে নিয়ে তদন্তের উদ্দেশ্যে আনন্দ শহরের দিকে যাচ্ছিল, তখনই ঘটে এই বিপত্তি। সুরেশের আকস্মিক হামলায় রাজবীর সিং ও মহিপাল সিং নামে দুই পুলিশ কর্মী গুরুতর জখম হন। বারংবার সতর্ক করার পরেও সে আক্রমণ বন্ধ না করায় সাব-ইন্সপেক্টর রানা আত্মরক্ষার্থে গুলি চালাতে বাধ্য হন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সুরেশকে করমশাদের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই এনকাউন্টারের ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

