বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
সর্বশেষ খবর

২০২৭ সালের মধ্যে রাজ্যে বসছে ৪০ লক্ষেরও বেশি মিটার, কেন্দ্রকে প্রতিশ্রুতি শুভেন্দুর

প্রকাশিত: ২১ জুলাই, ২০২৬
২০২৭ সালের মধ্যে রাজ্যে বসছে ৪০ লক্ষেরও বেশি মিটার, কেন্দ্রকে প্রতিশ্রুতি শুভেন্দুর
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যে স্মার্ট বিদ্যুৎ মিটার বসানো নিয়ে যখন সাধারণ গ্রাহক এবং বিভিন্ন সংগঠনের ক্ষোভ-বিক্ষোভ তুঙ্গে, ঠিক তখনই এই প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার বড়সড় ডেডলাইন সামনে এল। আগামী ২০২৭ সালের নভেম্বরের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে ৪০ লক্ষ ৩৫ হাজার স্মার্ট মিটার বসানো সম্পন্ন হবে। কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রকের তরফ থেকে সম্প্রতি এই তথ্য স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টরকে এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বর্তমান রাজ্য সরকার। বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলেছে, আর নতুন সরকারের এই পদক্ষেপে স্মার্ট মিটার নিয়ে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
গত কয়েক মাস ধরেই বিদ্যুৎ গ্রাহক সংগঠনগুলি স্মার্ট মিটার বসানোর বিরুদ্ধে রাজ্যজুড়ে তীব্র আন্দোলন চালাচ্ছে। আন্দোলনকারীদের প্রধান অভিযোগ— এই ডিজিটাল মিটার চালু হলে বিদ্যুতের বিল অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাবে। পাশাপাশি, প্রি-পেইড ব্যবস্থার কারণে সাধারণ মানুষের ওপর আর্থিক চাপ বাড়বে এবং রিচার্জ শেষ হলেই আচমকা বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে যাওয়ার ভয় থাকছে। গ্রাহকদের একাংশের দাবি, জোর করে এই মিটার চাপিয়ে দেওয়া যাবে না।
যদিও এই বিক্ষোভের মুখেও নিজেদের অবস্থানে অনড় প্রশাসন। বিদ্যুৎ দফতরের আধিকারিকদের দাবি, স্মার্ট মিটারে বিলিং ব্যবস্থা অনেক বেশি স্বচ্ছ হবে এবং বিদ্যুৎ অপচয় বা চুরি বন্ধ করা সম্ভব হবে। কেন্দ্র-রাজ্যের এই যৌথ মেগা প্রকল্পের গতি বাড়াতে এবার সরাসরি সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হলো।
রাজনৈতিক মহলের মতে, একদিকে বাম-ডান নির্বিশেষে একাধিক গ্রাহক সংগঠনের আন্দোলনের কর্মসূচি, অন্যদিকে ২০২৭ সালের ডেডলাইন মেনে মিটার বসাতে সরকারের অনড় মনোভাব— এই দুইয়ের জাঁতাকলে পড়ে আগামী দিনে রাজ্যের বিদ্যুৎ পরিষেবা ক্ষেত্রটি বড়সড় আইনশৃঙ্খলার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।

আরও খবর