সর্বশেষ খবর
খাদ্য সুরক্ষায় কড়া মুম্বই পুরসভা
প্রকাশিত: ১৮ জুলাই, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, মুম্বই: রেস্তোরাঁ ও ডেয়ারিগুলির খাবার ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে এবার চরম কঠোর অবস্থান নিল বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (বিএমসি)। মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ)-র ‘সেফ ফুড, সেফ মহারাষ্ট্র’ অভিযানের পর এবার কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছে পুরসভাও। শহরের খাবারের দোকানগুলির নোংরা পরিবেশ রুখতে চিরুনি তল্লাশির নির্দেশ দিয়েছেন মুম্বইয়ের মেয়র ঋতু তাওড়ে।
পুরসভা সূত্রের খবর, যে সমস্ত হোটেল ও রেস্তোরাঁকে আগে সতর্কবার্তা বা নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, সেগুলি এখন কড়া নজরদারিতে রয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি এবং খাদ্য সুরক্ষার ন্যূনতম নিয়ম অমান্য করলেই কোনো রেয়াত করা হবে না। সরাসরি বাতিল করে দেওয়া হবে সংশ্লিষ্ট দোকানের হেলথ লাইসেন্স। মুম্বইয়ে খাবার দোকান, রেস্তোরাঁ, ওষুধের দোকান, ডেয়ারি ও বরফ কারখানা চালানোর জন্য বিএমসি-র এই লাইসেন্স থাকা আইনিভাবে বাধ্যতামূলক।
এফডিএ-র সাম্প্রতিক অভিযানে ইতিমধ্যেই শহরের একাধিক নামী ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি সামনে এসেছে। রান্নাঘরে ইঁদুর-আরশোলার উপদ্রব এবং বাসি খাবার রাখার দায়ে ভিন্ডি বাজারের নামী 'শালিমার' ও 'নূর মোহাম্মদী হোটেল'-এর লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে। একই কোপ পড়েছে চার্চগেটের বিখ্যাত 'কে রুস্তম' আইসক্রিম পার্লার এবং ১১০ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী 'পার্সি ডেয়ারি'-র ওপরেও।
মেয়র ঋতু তাওড়ে স্পষ্ট জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া যাবে না। ওয়ার্ড স্তরে স্বাস্থ্য দফতরের বিশেষ টিম নিয়মিত পরিদর্শন চালাবে। নিয়ম ভাঙলে যত বড় বা নামী দোকানই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে পুরসভার তরফে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। পুরসভার এই আকস্মিক হানায় আপাতত তটস্থ বাণিজ্যনগরীর হোটেল ব্যবসায়ীরা।

