খাবারের মান ও স্বাস্থ্যবিধি খতিয়ে দেখতে শক্তিগড়ে ল্যাংচার দোকানে হানা
নিজস্ব প্রতিনিধি: বর্ধমানের শক্তিগড়ে বিভিন্ন ল্যাংচার দোকানে এবং বিভিন্ন রেস্তোরা ও ধাবায় খাবারের মান এবং স্বাস্থ্যবিধি ঠিকঠাক বজায় রাখা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তৎপর প্রশাসন। বর্ধমানের খাদ্য সুরক্ষা দফতর ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের একটি যৌথ দল আচমকা অভিযান চালালো শক্তিগড়ের বিভিন্ন স্থানীয় রেস্তোরাঁ ও ধাবা, ল্যাংচার দোকানগুলোতে এবং রেস্তরাঁর রান্নাঘর, ফ্রিজ, মশলাপাতি ও বিভিন্ন কাঁচামাল পরীক্ষা করে দেখার পাশাপাশি একাধিক নির্দেশিকা দেওয়া হলো কর্তৃপক্ষের তরফে।
এদিন বর্ধমান থেকে খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিক ও পুলিশের একটি বিশেষ দল 'আপনা ধাবা'-য় পৌঁছায়। আধিকারিকরা সরাসরি রান্নাঘরে ঢুকে সামগ্রিক পরিচ্ছন্নতা ও রান্নার পরিবেশ খতিয়ে দেখেন। ফ্রিজে সংরক্ষিত মাছ, মাংস, শাকসবজি এবং তৈরি রাখা গ্রেভি কতটা স্বাস্থ্যসম্মতভাবে রাখা হয়েছে, তা পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা করা হয়। পাশাপাশি রান্নায় ব্যবহৃত মশলাপাতি ও পনিরের গুণগত মান পরীক্ষার জন্য রাসায়নিক টেস্টও করা হয়।
"বর্ধমান থেকে ফুড সেফটি ডিপার্টমেন্ট ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা এসেছিলেন। আমাদের কিচেন ঘুরে দেখলেন এবং প্রয়োজনীয় কিছু গাইডলাইন মেনে চলার পরামর্শ দিলেন। শ্রাবণ মাসে পুণ্যার্থীদের দেওয়ার জন্য তৈরি করা কিছু শরবত যা ফ্রিজে রাখা ছিল, সেগুলিতে নির্দিষ্ট ম্যানুফ্যাকচারিং ডেট না থাকায় সেগুলি নষ্ট (Destroy) করে দেওয়া হয়েছে। বাকি মাছ, মাংস, সবজি ও পনিরের মতো সামগ্রী সবই স্বাস্থ্যসম্মত কি না তা খতিয়ে দেখেছেন আধিকারিকরা।"
অভিযান চলাকালীন আধিকারিকরা নিয়ম মেনে খাদ্যসামগ্রী সংরক্ষণ ও স্বাস্থ্যবিধি কড়াভাবে অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন। কোনো সামগ্রীতে উৎপাদন বা মেয়াদের তারিখ না থাকলে তা অবিলম্বে বর্জন করার নির্দেশ দেওয়া হয়। উৎসবের মরসুমে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে প্রশাসনের এই ধরনের নিয়মিত পরিদর্শন বজায় থাকবে বলেই জানা গেছে।

