সর্বশেষ খবর
ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে মাদ্রাসা ছাত্রীকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা! শিক্ষক পলাতক
প্রকাশিত: ১২ জুন, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশের মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে (১৪) জোর করে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয় ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ছাত্রীর গলা কেটে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার পশ্চিম সোনারং গ্রামে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক হাফেজ মো. লোকমান হোসেন (২৬) পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক লোকমান হোসেন বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই মাদ্রাসার এক ছাত্রীকে ফুসলিয়ে পশ্চিম সোনারং এলাকার একটি নির্জন জঙ্গলে নিয়ে যান। সেখানে তিনি ওই শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক বলাৎকারের চেষ্টা করেন। ছাত্রী বাধা দিয়ে চিৎকার শুরু করলে ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষক লোকমান তার সাথে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে পড়ুয়ার গলা ও হাতে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন।
পড়ুয়ার চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে এলে অভিযুক্ত শিক্ষক তাকে ফেলে রেখে জঙ্গল থেকে পালিয়ে যান। পরবর্তীতে স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় পড়ুয়াকে উদ্ধার করে প্রথমে টঙ্গীবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে শ্বাসনালী কেটে যাওয়ায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। বর্তমানে সেখানে অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় ছাত্রটির চিকিৎসা চলছে।
টঙ্গীবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, অভিযুক্ত লোকমান হোসেন ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় খিলপাড়া সুন্নাতুল মদিনা মাদ্রাসার শিক্ষক এবং সোনারং পুরাতন জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পলাতক শিক্ষককে গ্রেফতার করতে ইতিমধ্যেই পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযানে নেমেছে।

