বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
জেলা

আবাস প্রকল্পের উপভোক্তাদের স্বস্তি, ট্র্যাক্টরপিছু বালির দাম ৩ হাজার টাকায় আনার উদ্যোগ

প্রকাশিত: ১১ জুলাই, ২০২৬
আবাস প্রকল্পের উপভোক্তাদের স্বস্তি, ট্র্যাক্টরপিছু বালির দাম ৩ হাজার টাকায় আনার উদ্যোগ
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি, রামপুরহাট: সরকারি আবাস প্রকল্পের উপভোক্তাদের দীর্ঘদিনের বালির মূল্য সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিল প্রশাসন। শুক্রবার ময়ূরেশ্বর–২ ব্লক কার্যালয়ে কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার মন্ডলের উপস্থিতিতে দুই ময়ূরেশ্বর ব্লকের বিডিও, ভূমি দপ্তরের আধিকারিক এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তাদের নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে সরকারি আবাস প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের বাড়ি নির্মাণে ব্যবহৃত বালির অতিরিক্ত মূল্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আলোচনার পর ট্র্যাক্টরপিছু বালির মূল্য ৩,০০০ টাকা নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। প্রশাসনের দাবি, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আবাস প্রকল্পের উপভোক্তারা নির্ধারিত মূল্যে বালি সংগ্রহ করতে পারবেন, ফলে বাড়ি নির্মাণের ব্যয় অনেকটাই কমবে এবং আর্থিক চাপও হ্রাস পাবে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় সরকারি আবাস প্রকল্পের উপভোক্তাদের বালির অতিরিক্ত দাম দিতে হওয়ায় নির্ধারিত বরাদ্দের মধ্যে বাড়ি নির্মাণ সম্পূর্ণ করতে সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছিল। সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও দাবি বিবেচনায় নিয়েই প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সুবিধা পেতে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত ও সরকারি নির্দেশিকা মানতে হবে। খুব শীঘ্রই সেই নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই উপভোক্তাদের বালি সংগ্রহ করতে হবে।
কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার মন্ডল বলেন, “নদী তীরবর্তী এলাকার স্থানীয় মানুষ দীর্ঘদিন ধরে বালির সমস্যায় ভুগছেন। পাশাপাশি আবাস যোজনার উপভোক্তারাও যাতে ৩ হাজার টাকার বিনিময়ে বালি পান, সেই বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। তবে এখনও এ বিষয়ে স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব হয়নি।”
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মতে, সরকারি আবাস প্রকল্পের উপভোক্তাদের স্বার্থে এই উদ্যোগ কার্যকর হলে বহু পরিবার উপকৃত হবে এবং বাড়ি নির্মাণের কাজ আরও সহজ হবে।

আরও জেলা খবর