বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
জেলা

ঐতিহ্যে আজও অনন্য পূর্ব বর্ধমানের দিগনগরের রথযাত্রা

প্রকাশিত: ১১ জুলাই, ২০২৬
ঐতিহ্যে আজও অনন্য পূর্ব বর্ধমানের দিগনগরের রথযাত্রা
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

বিশেষ প্রতিবেদন: পূর্ব বর্ধমান জেলার ঐতিহাসিক গ্রাম দিগনগরের রথযাত্রা ও জগন্নাথ মন্দিরের ইতিহাস অত্যন্ত প্রাচীন এবং লোকগাথায় সমৃদ্ধ। পুরীর রথযাত্রার মতো বর্ণাঢ্য না হলেও, এখানকার নিজস্ব ঐতিহ্য এবং রাজকীয় ইতিহাস আজও ভক্তদের আকর্ষণ করে।
ইতিহাস অনুযায়ী, বর্ধমানের মহারাজা কীর্তি চন্দ্র রায় এই দিগনগরের জগন্নাথ মন্দির এবং রথযাত্রার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিলেন। কথিত আছে, তিনি এই এলাকায় একটি প্রাচীন জগন্নাথ মন্দির পুনর্নির্মাণ করেন এবং রাজপরিবারের তত্ত্বাবধানে এখানে রথযাত্রার সূচনা হয়।

দিগনগরের স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে একটি প্রাচীন কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, ভগবান জগন্নাথদেব স্বয়ং এক সন্ন্যাসীর ছদ্মবেশে দিগনগরের পূর্বে ‘ধানতিকারের মাঠ’ নামক একটি বিস্তৃত প্রাঙ্গণে আবির্ভূত হয়েছিলেন। তিনি গ্রামের মানুষের কাছ থেকে ভিক্ষা গ্রহণ করতেন।একদিন সেই ছদ্মবেশী সন্ন্যাসী গ্রামের পরম ভক্ত জয়নারায়ণ অধিকারীকে তাঁর আশ্রমে আসার আমন্ত্রণ জানান। জয়নারায়ণবাবু সেখানে গিয়ে জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা এবং লক্ষ্মী দেবীর ৪টি অপূর্ব মূর্তি দেখতে পান। পরবর্তীতে ভগবান জগন্নাথদেব তাঁর আসল রূপ প্রকাশ করে অন্তর্হিত হন। অত্যন্ত দরিদ্র হওয়া সত্ত্বেও জয়নারায়ণ অধিকারী সেই ৪টি মূর্তি নিজের বাড়ি নিয়ে এসে নিত্যপূজা শুরু করেন। এর পর থেকেই গ্রামটিতে ধীরে ধীরে সমৃদ্ধি আসতে শুরু করে।
পরবর্তী সময়ে বর্ধমানের রাজা কীর্তি চন্দ্র এই ঘটনার কথা জানতে পারেন এবং স্বপ্নাদেশ পেয়ে মন্দিরটির আধুনিকীকরণ ও পুজোর রাজকীয় ব্যবস্থা করেন। রাজার নির্দেশেই তাঁর রানীর নামানুসারে এখানে একটি বিশালাকার পুকুর বা দিঘি খনন করা হয়েছিল, যা আজও বর্তমান।

আরও জেলা খবর